Manikchak | ভাঙনের কবলে ১৬ কোটির রিংবাঁধ, জল আটকাতে নতুন উদ্যোগ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


আজাদ, মানিকচক: এবার ভাঙনের কবলে ১৬ কোটির রিংবাঁধ। গঙ্গানদীর মূল বাঁধভাঙনে তলিয়ে যাওয়ার পর গত বছর এই নতুন রিংবাঁধটি ভূতনির কেশরপুরে নির্মাণ করা হয়। বুধবার ভাঙনের কবলে পড়ল নতুন সেই রিংবাঁধটিও। এদিকে, এই রিংবাঁধেই গত এক বছর ধরে আস্তানা গেড়েছিল প্রায় তিনশোরও বেশি ভাঙনে ভিটেমাটি হারা পরিবার। এই অবস্থায় গঙ্গার জল রুখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আরেকটি নতুন বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর।

মানিকচকে (Manikchak) বিগত কয়েকদিন ধরে গঙ্গার জলস্তর কম থাকলেও বুধবার একলাফে ২৫.১০ থেকে ২৫.১৮ মিটারে পৌঁছোয়। অন্যদিকে, গঙ্গার জলস্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে ভূতনির কেশরপুর বাঁধে। বাঁধের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় ধস, যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভূতনিতে কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর। কেশরপুর ও পশ্চিম রতনপুরে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী বাঁধ। ইতিমধ্যে পশ্চিম রতনপুরের কাজ শেষ হয়েছে। এই বিষয়ে কাজে নিযুক্ত ঠিকাদার ওয়াহেদ শেখ জানান, কোনওক্রমে বাঁধ ভাঙলে যাতে ভূতনির সংরক্ষিত এলাকায় নদীর জল প্রবেশ না করে, তার জন্য এই নতুন বাঁধ।

অন্যদিকে, বাঁধের ভাঙনকবলিত জায়গাগুলিতে বালির বস্তার মাধ্যমে কাজ করছে সেচ দপ্তর। তবে কাজ নিয়ে ক্ষিপ্ত স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, একেবারেই নিম্নমানের কাজ করা হচ্ছে। এই বিষয়ে স্থানীয় যদু মণ্ডল বলেন, ‘বালির বস্তা দিয়ে যা কাজ করা হচ্ছে তা একেবারেই নিম্নমানের। এমনকি অতিরিক্ত যে বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে, তাতেও কোনও সুবিধা হবে না। বাঁধ ভাঙলে সেই বাঁধও উড়িয়ে নিয়ে যাবে গঙ্গা।’

যদিও কোনওভাবেই ভূতনিতে জল ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলে দাবি মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডলের। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভাঙন হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে। বালির বস্তার মাধ্যমে ভাঙন আটকানো হচ্ছে। তারপরেও পরিস্থিতি খারাপ হলে অস্থায়ী বাঁধ রুখবে জল। তবে ভূতনিতে বন্যা পরিস্থিতি এবার হবে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *