man claims, spouse and son useless in a second

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ভয়ংকর দুর্যোগের কবলে নেপাল। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা অন্তত ৩৯২। নিখোঁজ অন্তত ১৪০০। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ। গ্রামকে গ্রাম চোখের পলকে নিশ্চিহ্ন হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে এখনও অবিশ্বাসের জলছাপ! কোনও রকম পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই বিপুল জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কায় এভাবে জনজীবনকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ছবি দেখে শিহরিত বিশ্ব। আর এর মধ্যেই এক বস্ত্র ব্যবসায়ী জানালেন, কীভাবে চোখের নিমেষে হারিয়েছেন পরিবারকে।

এই বিষয়ে আরও খবর

নূয়াকোটের ত্রিশূলী বাজারের ব্যবসায়ী জানাচ্ছেন, প্রশাসনের তরফে তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। বাঁধ ভাঙার খবর পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় উঠে প্রাণ বাঁচানোর সুযোগ পাননি। তার আগেই গ্রামে ঢুকে পড়ে জলরাক্ষস! ওই ব্যবসায়ী জানাচ্ছেন, বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছেন ১৮ বছরের ছেলে এবং স্ত্রী। তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও একপলকে আপনজনদের চিরকালের মতো অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখার আতঙ্ক ও বিষাদ তাঁকে গ্রাস করেছে।

এদিকে জানা যাচ্ছে, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্টি আরও একটি হিমবাহ হ্রদ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে যেতে পারে, যার ফলে ফের হুড়মুড়িয়ে নেমে আসতে পারে বিপুল জলরাশি। বলা বাহুল্য, নতুন এই বিপর্যয়ের ফলে আবার ভাসতে পারে নেপাল। ইতিমধ্যেই সে বিষয়ে কাঠমান্ডুকে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বেজিং। ফলত এক বিপর্যয়ের মধ্যে আবার এক মহাদুর্যোগের আশঙ্কায় কার্যতই দিশেহারা সেখানকার মানুষ ও প্রশাসন। নেপাল সরকার ভোটেকোশী, ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের ইতিমধ্যেই দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

উল্লেখ্য, নেপাল বিপর্যয়ে স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়রা। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ২৮৮ জন ভারতীয় নিখোঁজ। তবে কেন্দ্রের দাবি, যেটুকু যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা প্রাথমিক। বাস্তবে সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *