Man allegedly killed girlfriend and hides physique in Purulia, arrested

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


প্রেমের সম্পর্কের মাঝে ঘোরতর সন্দেহই হয়ে উঠল প্রাণঘাতী! প্রেমিকার অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, স্রেফ এই সন্দেহে তাঁকে গলার নলি কেটে খুনের পর দেহ লোপাটের চেষ্টা! এহেন হাড়হিম হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল প্রেমিক। রবিবার সকালে পুরুলিয়া শহরে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শিহরিত শহরবাসী। যে মেসে ঘটনাটি ঘটেছে, আতঙ্কিত সেখানকার আবাসিকরাও। ধৃত অমিত মাহাতোর বয়স মাত্র ২৩ বছর। তাঁকে গ্রেপ্তারির পর পুলিশের দাবি, জেরায় প্রেমিকাকে সন্দেহবশত খুনের কথা স্বীকার করেছে অমিত। আজ তাকে আদালতে পেশ করা হবে।

পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির বাসিন্দা অমিত মাহাতো ও প্রীতিকা মাহাতোর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর দু’জনই চলে আসেন পুরুলিয়া শহরে। অমিত রামকৃষ্ণ পল্লির একটি মেসে থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। প্রীতিকাও একটি মেসে থাকতেন। কিন্তু সম্প্রতি অমিতের সন্দেহ হয় যে প্রেমিকার সঙ্গে অন্য কারও সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। আর সেই সন্দেহের বশেই প্রেমিকাকে খুনের মতো ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে সে!

আরও পড়ুন:

অমিতদের মেসে ১৬ জন একসঙ্গে থাকতেন। শনিবার বিকেলে তাঁরা সবাই ফুটবল খেলতে চলে যান। এই সুযোগে নির্জন মেসে প্রীতিকাকে ডেকে আনে অমিত। এরপরই ধারালো ছুরি দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করা হয়। দেহটি লোপাটের জন্য একটি বস্তায় ভরে বাইকে চড়ে তা নদীতে ফেলতে যাচ্ছিল অমিত। সন্ধ্যা হতে মেসের বাকি আবাসিকরা ফিরে আসেন। অমিতের ঘর থেকে বিকট গন্ধ টের পান তাঁরা। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গন্ধ আরও তীব্র, বিভিন্ন জায়গায় রক্তের দাগ। এতেই তাঁদের সন্দেহ হয়। সঙ্গে খবর দেওয়া হয় থানায়।

খুন হওয়া প্রেমিকা প্রীতিকা মাহাতো, নিজস্ব ছবি

পুলিশ সূত্রে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে যা জানা যাচ্ছে, তা খানিকটা এরকম। অমিতদের মেসে ১৬ জন একসঙ্গে থাকতেন। শনিবার বিকেলে তাঁরা সবাই ফুটবল খেলতে চলে যান। এই সুযোগে নির্জন মেসে প্রীতিকাকে ডেকে আনে অমিত। এরপরই ধারালো ছুরি দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করা হয়। দেহটি লোপাটের জন্য একটি বস্তায় ভরে বাইকে চড়ে তা নদীতে ফেলতে যাচ্ছিল অমিত। সন্ধ্যা হতে মেসের বাকি আবাসিকরা ফিরে আসেন। অমিতের ঘর থেকে বিকট গন্ধ টের পান তাঁরা। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গন্ধ আরও তীব্র, বিভিন্ন জায়গায় রক্তের দাগ। এতেই তাঁদের সন্দেহ হয়। সঙ্গে খবর দেওয়া হয় থানায়।

ধৃত অমিত মাহাতোকে আদালতে পেশ, নিজস্ব ছবি

ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করার পর অমিতের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে। দেখা যায়, পুরাতন জামশেদপুর রাজ্য সড়কে তার অবস্থান। অন্যদিকে, এই পথে নিয়মিত নাকা চেকিং হয়। এত বড় বস্তা নিয়ে একজনকে বাইকে আসতে দেখে সন্দেহ হয় তল্লাশিরত ট্রাফিক পুলিশের। বাইকটি সিগন্যালে দাঁড়ালে দেখা যায়, ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে অমিতকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রীতিকাকে খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের। পুরুলিয়া শহরে এমন হাড়হিম ঘটনায় স্তম্ভিত সকলে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *