Mamata Banerjee | পুলিশ বনাম প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী: মিছিলের মাঝপথেই বিস্ফোরক মমতা!

Mamata Banerjee | পুলিশ বনাম প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী: মিছিলের মাঝপথেই বিস্ফোরক মমতা!

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Excessive Courtroom) শর্তসাপেক্ষে অনুমতি নিয়ে বুধবার বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিলের ডাক দিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল (TMC)। কিন্তু এই মিছিলকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের উদ্দেশ্যে ‘চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং ব্যঙ্গাত্মক ‘মাছ চোর’ গান বাজান। মুহূর্তে সেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্র আকার ধারণ করে। শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায় পুলিশ। এরই মধ্যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, “আমি বিজেপিকে দোষ দিচ্ছি না, আমি প্রশাসনকে দায়ী করছি। মিছিলের অনুমতি থাকলেও আমাদের মাইক কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে।” আইটি সেলের চেয়ারম্যানকে ঘেরাও ও হেনস্তার অভিযোগ তুলেই মমতা নিজেই তাঁকে উদ্ধার করতে মাঠে নামেন বলে জানান।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজ্যে গণতন্ত্রের পরিসর সংকুচিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “উত্তরপ্রদেশের চেয়েও খারাপ অবস্থা বাংলার। বিজেপি ও তাদের ‘দলদাস’ প্রশাসন মিলে আমাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে।” বারুইপুর সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, গত দুমাসে রাজ্যে ১৪ জনেরও বেশি নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পুলিশের ওপর বিস্ফোরক অভিযোগ এনে মমতা বলেন, “এখনকার পুলিশ ইনচার্জরা বিজেপির মণ্ডলের সভাপতি আর এসপি-রা যেন বিজেপির জেলা সভাপতি। আমি নিজেও এখন নজরবন্দি, আমার ওপর অনৈতিকভাবে নজরদারি চালানো হচ্ছে।”

হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মিছিলের ওপর কেন এই আক্রমণ, সেই প্রশ্ন তুলে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনাকে ‘বাক স্বাধীনতা খর্ব’ করার চূড়ান্ত নজির হিসেবে দেখছে তৃণমূল শিবির। একদিকে তৃণমূলের কর্মীদের ওপর হামলা এবং অন্যদিকে প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ—সব মিলিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ির এই সংঘাত রাজ্য রাজনীতির পারদকে এক চরম উচ্চতায় নিয়ে গেল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *