সিউড়িতে তৈরি হল দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা, বঙ্গকন্যাদের অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

সিউড়িতে তৈরি হল দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা, বঙ্গকন্যাদের অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


২০ জন বঙ্গকন্যার অক্লান্ত পরিশ্রমে সিউড়ির ‘মসলিন তীর্থে’ তৈরি হয়েছে রাজ্যের দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা। তাঁদের অবদানকে কুর্নিশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “বীরভূম খাদি দল ৩০ ফুট X ২০ ফুট পতাকা তৈরি করেছে। ২০ জন মহিলার মাসখানেকের অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরি হয়েছে এটি। মাইথন ড্যামে পতাকা টাঙানো হবে। জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং বিডিওদের অবদানও অনস্বীকার্য।”

মঙ্গলবার সকালে খাদির দীর্ঘতম পতাকার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলাশাসক ধবল জৈন। গত বছর জেলা প্রশাসন এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়, স্থির হয়, মসলিন তীর্থে সম্পূর্ণ অখণ্ডভাবে, বিনা সেলাইয়ে এবং খাঁটি খাদি সুতোয় তৈরি হবে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা। সেই প্রতিশ্রুতিরই এক বিরাট ও সফল রূপায়ণ হল এই ৩০ ফুট দীর্ঘ এবং ২০ ফুট চওড়া জাতীয় পতাকাটি, যা আজ বাংলার এক অন্যতম অহংকার। কেন্দ্রীয় সরকারের দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (ডিভিসি) মাইথন ড্যামের প্রতিষ্ঠা দিবসের জন্য এই অতিকায় পতাকার বরাত দেওয়া হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছে এটি ছিল এক কঠিন পরীক্ষা। কিন্তু প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জেলার তাঁতশিল্পীরা প্রায় দেড় মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই অসাধ্য সাধন করেছেন, সুতোয় সুতোয় বুনেছেন তাঁদের স্বপ্নের বুনন।

আরও পড়ুন:

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক ধবল জৈন বলেন, “আমরা এক মহৎ কাজের সাক্ষী হলাম। প্রথমবার যখন ৩০ ফুট বাই ২০ ফুট মাপের এত বড় একটি জাতীয় পতাকা তৈরির প্রস্তাব আসে, তখন তা নিঃসন্দেহে এক বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছিল। গোটা টিমকে ধন্যবাদ জানাই এই দুঃসাহসিক চ্যালেঞ্জটি সানন্দে গ্রহণ করার জন্য।” নতুন প্রজন্মকে খাদির প্রতি আকৃষ্ট করার বার্তাও দেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমাদের এই কাজ আগামী দিনে এক নিদর্শন হয়ে পথ দেখাবে। এরকম বৃহৎ ভবিষ্যতে আরও করব।” মঙ্গলবার ভারচুয়াল মাধ্যমে ডিভিসি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় এই জাতীয় পতাকা। মাইথন ড্যামের বুকে সগৌরবে উড়বে বীরভূমের এই সৃষ্টি। মসলিন তীর্থ আগামী দিনে প্রশাসনের হাত ধরে আরও নতুন সাফল্যের শিখরে পৌঁছবে, সেই আশাতেই এখন বুক বাঁধছে জেলাবাসী।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *