কল্লোল মজুমদার, মালদা : একসময় কালী সাধনার এক অঙ্গ ছিল সোমরস। কালের প্রবাহে তা এখন উৎসবের ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীপাবলিতে যে মালদা জেলা কার্যত সুরার উৎসবে মেতে উঠেছিল তা স্পষ্ট একদিনের মদ বিক্রির পরিসংখ্যানে। বিলাতি মদ বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, কালীপুজোর এক রাতে মালদায় মদ বিক্রির পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি টাকা। দুর্গাপুজোর সাতদিনে এই জেলায় মদ বিক্রির পরিসংখ্যান ছিল সাড়ে ২৮ কোটি টাকা।
বুধবার মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির জেলা সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন, ‘কালীপুজোর রাতে অফ অ্যান্ড অন শপ ধরে মদ বিক্রি হয়েছে ২ কোটি ৪২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৪০ টাকার। এই বিপুল পরিমাণ মদ বিক্রি হলেও জেলায় কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’
তবে এই টাকার সংখ্যাটা সরকারি খাতার হিসেব অনুযায়ী। বিলাতি মদ ছাড়াও রয়েছে দেশি মদ। সঙ্গে হয়েছে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মদ বিক্রি। এক মদ বিক্রেতার দাবি, সবমিলিয়ে হিসেব কষলে একদিনে মদ বিক্রি ৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
মালদায় যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে পানশালা। অধিকাংশ পানশালার নেই বৈধ অনুমতি। শুধু কি তাই, শহর ও শহর সংলগ্ন জাতীয় সড়কের দু’ধারে ধাবাগুলিতেও চলে প্রকাশ্যে মদ্যপান ও বিক্রি। এক পানশালা কর্মীর দাবি, এবারের কালীপুজোয় পানশালায় ছেলে-মেয়ে উভয়েরই ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
এনিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি নেতারা। দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, ‘মদ্যপান এখন এই রাজ্যে শিল্পে পরিণত হয়েছে। সরকারের বড় আয় হয় মদ বিক্রির টাকা থেকে। তাই সরকার মদ্যপানে সাধারণ
