Malda | আরজি করের ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু মালদায়, পুলিশের জালে প্রেমিক

Malda | আরজি করের ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু মালদায়, পুলিশের জালে প্রেমিক

শিক্ষা
Spread the love


মালদা : আরজি করের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের জালে প্রেমিক। শনিবার রাতে তাঁকে আটক করেছিল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্রের খবর, রাত আড়াইটে নাগাদ ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ খবর লেখা পর্যন্ত থানার হাজতে রয়েছেন মালদা মেডিকেলের ফাইনাল ইয়ারের ওই  পড়ুয়া। ধৃতকে রবিবার আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

এবিষয়ে পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেছেন, ‘দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তদন্ত চলছে।’ অন্যদিকে, অভিযুক্ত ছাত্র গতকাল ফোনে বলেছিলেন, ‘আমি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার পরেই এবিষয়ে মন্তব্য করব।’

পরিবার সূত্রের খবর, মালদা মেডিকেলের ফাইনাল ইয়ারের ওঅ পড়ুয়ার সঙ্গে ছাত্রীটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ৬ অগাস্ট ছাত্রী বাড়ি ফেরেন। কিন্তু ফেরার পর থেকে কারও সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলছিলেন না। শেষে তরুণী পরিবারের লোকজনকে জানান, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এরপর পরিবারের তরফে ওই তরুণকে মেয়েটিকে বিয়ে করার অনুরোধ করা হয়।

অভিযোগ, তখন তরুণীকে ভবানীপুরে ডেকে তাঁকে সেখানকার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে গর্ভপাত করান অভিযুক্ত। গর্ভপাতের পর থেকে প্রেমিক ছাত্রীটির সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেন। ৫ সেপ্টেম্বর মায়ের সঙ্গে বালুরঘাটে ফেরেন ছাত্রী। ৮ সেপ্টেম্বর দেখা করার জন্য তাঁকে মালদায় ডাকেন ওই ছাত্র। এরপর শুক্রবার সকালে হঠাৎ মালদা মেডিকেলের ছাত্রটি ফোনে তরুণীর মাকে জানান, তাঁর মেয়ে মালদা মেডিকেলে ভর্তি। মেডিকেলে এসে মা দেখেন, মেয়ের মুখ থেকে কিছু বেরোচ্ছে। রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে তরুণীর মৃত্যু হয়।

মৃতের মা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘মেয়ের সঙ্গে ওই তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় এক বছর ধরে পরিচয়। এরই মধ্যে মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ওকে ভবানীপুরে নিয়ে গিয়ে গর্ভপাত করায় ছেলেটি। মেয়ে ওই তরুণকে বারবার রেজিস্ট্রি ম্যারেজের কথা বলছিল। গত সোমবার মেয়েকে মালদায় ডেকে পাঠায় সে। তারপর আর মেয়ে বাড়ি ফেরেনি। ফোন করলে এড়িয়ে যেতে থাকে। কখনও শুনি, মেয়ে মালদা মেডিকেলে মেয়েদের হস্টেলে আছে, কখনও বলে শহরের কোনও হোটেলে আছে।’

তাঁর সংযোজন, ‘শুক্রবার তরুণ ফোন করে জানায়, মেয়ে মালদা মেডিকেলে ভর্তি। এসে দেখি, মেয়েকে মেডিকেলে ফেলে রাখা হয়েছে। শ্বাস নিতে সমস্যা হলেও অক্সিজেন দেওয়া হয়নি। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ ওর মৃত্যু হয়। আমার ধারণা, মেয়েকে জোর করে কিছু খাইয়ে দেওয়া হয়েছে। ইংরেজবাজার থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছি।’

অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। রাতেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদের পর গভীর রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *