Leopard Assault | ধূপগুড়িতে সরষে খেতে চিতাবাঘের হানা! অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন কৃষক, এলাকায় আতঙ্ক

Leopard Assault | ধূপগুড়িতে সরষে খেতে চিতাবাঘের হানা! অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন কৃষক, এলাকায় আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


ধূপগুড়ি: ডুয়ার্সের জঙ্গল লাগোয়া জনপদে ফের বন্যপ্রাণের হানা। বুধবার বিকেলে ধূপগুড়ি ব্লকের উত্তর খূট্টিমারি এলাকায় নিজের সরষে খেতে গিয়ে চিতাবাঘের অতর্কিত আক্রমণের (Leopard Assault) শিকার হলেন কৃষক প্রসেনজিৎ রায়। চিতাবাঘের নখের আঘাতে তাঁর মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। বর্তমানে তিনি মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে প্রসেনজিৎবাবু একাই নিজের সরষে খেতে গিয়েছিলেন তদারকি করতে। সেই সময় খূট্টিমারি জঙ্গল থেকে একটি চিতাবাঘ আচমকা বেরিয়ে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রসেনজিতের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে চিতাবাঘটি জঙ্গলে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বনকর্মীদের পরামর্শে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

আহত প্রসেনজিৎ মণ্ডল বানারহাট থানার সিভিক ভলান্টিয়ার অঞ্জনা রায়ের স্বামী। অঞ্জনাদেবী ডিউটি চলাকালীন এই খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং চিকিৎসার তদারকি করেন।

ঘটনার খবর পেয়েই উত্তর খূট্টিমারি এলাকায় পৌঁছান মোরাঘাট রেঞ্জ ও বিন্নাগুড়ি ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের বনকর্মীরা। চিতাবাঘটি কোন দিক থেকে এসেছিল এবং বর্তমানে কোথায় লুকিয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে ‘ট্র্যাকিং’। মোরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জার চন্দন ভট্টাচার্য বলেন, “ঘটনাস্থলের খুব কাছেই লক্ষ্মীকান্তপুর চা বাগান ও খূট্টিমারি জঙ্গল। চিতাবাঘটি লোকালয়েই লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা খাঁচা পাতার বিষয়ে ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের সঙ্গে আলোচনা করছি।”

ঘন জঙ্গল লাগোয়া এই জনপদে হাতি ও চিতাবাঘের উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। আহতের আত্মীয় মতিলাল রায়ের অভিযোগ, খাবারের অভাবেই বন্যপ্রাণীরা বারবার লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। দিনের বেলাতেও খেতে কাজ করতে যেতে ভয় পাচ্ছেন কৃষকরা। বনদপ্তর দ্রুত খাঁচা পেতে চিতাটিকে বন্দি না করলে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *