কুমারগঞ্জ: এক তরুণকে গাছে বেঁধে মারধরের অভিযোগ ঘিরে শনিবার বিজেপির জেলা সম্পাদক রজত ঘোষের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখালেন কয়েকজন মহিলা (Kumarganj)। অভিযোগ, শুক্রবার রজত ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে পার্থ মণ্ডল নামে এক তরুণকে গাছে বেঁধে মারধর করেন। পার্থ মাদকজাতীয় নেশা করেন এবং এর কারবারের সঙ্গে যুক্ত—এমন অভিযোগেই তাঁকে মারধর করা হয় বলে জানা গিয়েছে। যদিও পার্থ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঘটনার দরুন শনিবার পার্থ-র স্ত্রী সুস্মিতা মণ্ডল-সহ কয়েকজন মহিলা রজত ঘোষের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার কারণ জানতে চান। অভিযোগ, তখন রজতবাবু ঘর থেকে লাঠি নিয়ে তাঁদের দিকে তেড়ে আসেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে পার্থর বক্তব্য, ‘মামার বাড়ি যাওয়ার পথে আমাকে গাছে বেঁধে মারধর করা হয়েছে। আমি কোনও ড্রাগসের ব্যবসা করি না।’ এই প্রসঙ্গে তাঁর স্ত্রী সুস্মিতার বক্তব্য, ‘দোষ থাকলে পুলিশে তুলে দেওয়া উচিত ছিল। আমরা কুমারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করব।’
তবে রজত ঘোষ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ‘এখানে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। শুনলাম ১৪/১৫ জনের একটা বড় গ্যাং কিলবিষ ইনজেকশন সহ বিভিন্ন ড্রাগসের ব্যবসা করে। এমনকি ধরা পড়লেও কয়েকদিনের মধ্যে জামিন হয়ে যায়। পুলিশের সাথে যে কী যোগসূত্র আছে আমরা বুঝতে পারছি না। আর কাল আমি যদি সময়ে না ঢুকতাম, জনতা একে মেরেই ফেলত। আমিই বাঁচিয়েছি। আমার বাড়িতে অসুস্থ স্ত্রী রয়েছে, আর আজ ওদের বাড়ির লোকজন এসে বাড়িতে ঝামেলা করছিল।’

