পুণের পোর্শে কাণ্ডের মতো কোচিতে গাড়িচাপা দিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গাড়ির চালক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের নাবালক ছেলেকে গ্রেপ্তার করেও ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ মধ্যেই এবার সরিয়ে দেওয়া হল কোচির পুলিশ কমিশনার কলিরাজ মহেশকে। ওই পদে বসানো হয়েছে আর নিশান্থিনিকে। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশ কমিশনারকে সরালেই কি বিচার পাবেন নিহত স্কুটারচালক জয়াবালাকৃষ্ণনের পরিবার?
রবিবার ভোররাতে বিলাসবহুল মার্সিডিস বেঞ্জের ধাক্কায় মৃত্যু হয় পেশায় ব্যবসায়ী জয়াবালাকৃষ্ণনের। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ১৭ বছরের কিশোর। গাড়ির রেজিস্ট্রেশন রয়েছে এক আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের নামে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার সময় গাড়ি চালাচ্ছিল তাঁর ১৭ বছর বয়সি পুত্র। শুরুতে ১৭ বছরের কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং অবহেলার কারণে মৃত্যুর মতো অভিযোগ আনা হয়। পরে বিক্ষোভের জেরে ১০৫ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলাও যুক্ত করা হয়। কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জামিনে মুক্ত হয়ে যায় সে।
শুরু থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন মৃত জয়াবালাকৃষ্ণনের পরিবার। তাদের দাবি, অভিযুক্ত বাবা প্রভাবশালী হওয়া ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার রাতে রিল বানানোর জন্যই বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাচ্ছিল বিচারক-পুত্র। সেই সময়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্কুটিচালক ব্যবসায়ীকে ধাক্কা মারে। অভিযোগ, সেই ভিডিও মুছে ফেলেন খোদ বিচারক। পরে পুলিশ তা পুনরুদ্ধার করে। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশ কমিশনার বদল কি ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’?
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে পুণের পোর্শে কাণ্ডেও মাত্র ১৫ ঘণ্টার জামিন পেয়েছিল নাবালক গাড়িরচালক। সেক্ষেত্রেও প্রভাবশালী বাবার হাতযশে পুলিশের ভূমিক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
সর্বশেষ খবর
