উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশ্যে চলে এসেছিল হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachna Banerjee) এবং চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারের (Asit Mazumdar) দ্বন্দ্ব। বিধানসভা ভোটের আগে যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিল হুগলি (Hooghly) জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব (TMC)। তবে এবার সেই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে আসরে নামলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। দুজনকেই এক হয়ে চলার বার্তা দেন তিনি। এমনকি রচনা ও অসিতের হাতও মিলিয়ে দেন কল্যাণ।
চুঁচুড়ায় তৃণমূলের কর্মীবৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত এসআইআর নিয়ে আলোচনাই ছিল এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এরই মাঝে উঠে আসে রচনা ও অসিতের দ্বন্দ্ব। প্রথমেই কার্যত ধমকের সুরে অসিতকে সাবধান করেন কল্যাণ। অসিত ও রচনাকে এক হয়ে ময়দানে নামার বার্তা দেন তিনি।
কল্যাণ বলেন, ‘অসিত মাঝেমধ্যে বিগড়ে যায়। ওর কতগুলো চামচা আছে, ওকে বিগড়ে দেয়। কিন্তু উনি ভীষণ ভালো। ওনার মতো বিধায়ক পাওয়া দুষ্কর। আবার ওনার মতো লাগামহীন মুখ পাওয়াও যায় না।’ এরপরই তিনি বলেন, ‘তোরা তো আগে একসঙ্গে ঘুগনি খেতিস। সেই পরিস্থিতি আবার তৈরি কর। ফর গড’স সেক। আর কেউ অসিতের নামে রচনার কাছে, রচনার নামে অসিতের কাছে ফুস-ফুস করবে না। ছ’মাস কাজ করো। তারপর দু’টো লাঠি দিয়ে দেব দু’জনকে। অবশ্য আর দরকার হবে না।’ শেষে রচনা ও অসিতের দ্বন্দ্ব যে মিটল, তা বোঝানোর জন্য দু’জনের হাত মিলিয়ে দেন শ্রীরামপুরের সাংসদ।
এদিন বৈঠক থেকে বেরিয়ে রচনা বলেন, ‘কল্যাণদা আমাদের অভিভাবক। উনি যেমনটা বলেছেন, সেটাই হবে। অসিতদার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ঝামেলা নেই। উনি আমার থেকে রাজনীতিতে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’ অসিতও বলেন, ‘সব কিছু মিটমাট হয়ে গিয়েছে। রচনা আমার বোনের মতো। ওর ছবি নিয়ে আমার নাতনি বাড়িতে খেলা করে। আগামীকাল থেকে চুঁচুড়ায় অন্য ছবি দেখবেন।’
