উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে আসন বন্টন নিয়ে চরম কোন্দল শুরু হয়েছে বিহারের বিরোধী শিবিরে। কংগ্রেস ও আরজেডির মধ্যে এখনও আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। দুই দলই আলাদা আলাদা করে কিছু আসনে প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে বেঁকে বসল ইন্ডিয়া জোটের আরেক শরিক হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চাও (JMM)। সোমবার তারা জানিয়ে দিয়েছে, বিহার ভোটে লড়বে না ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। আসন রফা নিয়ে তীব্র মতবিরোধের জেরেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। রবিবার তারা জানিয়েছিল, ৬ আসনে তাদের দল একক ভাবে লড়তে চায়। কিন্তু তারপর বিধানসভা ভোট থেকে সরে দাঁড়াল হেমন্তর দল। তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চক্রান্ত হয়েছে। তার নিশানায় স্পষ্টতই আরজেডি ও কংগ্রেস। ঝাড়খণ্ডের পর্যটনমন্ত্রী সুদিব্য কুমার বলেন, ‘কংগ্রেস এবং আরজেডির ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিতেই এই সিদ্ধান্ত।’ ঝাড়খন্ডে আরজেডি ও কংগ্রেস জেএমএমের জোট শরিক। এবার বিহারে তাদের জোট কার্যত ভেঙে যাওয়ায় ঝাড়খন্ডে তার কোনও প্রভাব পড়ে কিনা সেটাই এখন দেখার।
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই ২৪৩ আসনের বিহারে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে এনডিএ। বিজেপি এবং জেডিইউ, দুই দলই ১০১টি করে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে ঠিক হয়েছে। বাকি ২৯টি আসনে লড়বে চিরাগ পাসোয়ানের এলজেপি, আর জিতেনরাম মাঝির হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চা এবং উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা। নভেম্বরের ৬ ও ১১ তারিখ বিধানসভা ভোট হতে চলেছে বিহারে। ফলে নিঃসন্দেহে ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা যে যথেষ্ট চাপের মুখে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
