Jalpaiguri | হাতির জন্য বাড়তি সতর্কতা 

Jalpaiguri | হাতির জন্য বাড়তি সতর্কতা 

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


শুভদীপ শর্মা, লাটাগুড়ি: গরুমারা জঙ্গলে ৬০-৭০টি হাতির বেশ কয়েকটি দল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এর ফলে পর্যটক থেকে শুরু করে বনবস্তির সাধারণ মানুষের বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। জঙ্গলে হঠাৎ এতগুলি হাতির পাল চলে আসায় বনকর্মীদের মাথায় চিন্তার হাত। ইতিমধ্যে বন দপ্তরের তরফে জঙ্গল লাগোয়া বিভিন্ন বনবস্তিতে প্রচার অভিযান শুরু হয়েছে। বন দপ্তরের জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) লাটাগুড়ি রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার সঞ্জয় দত্ত বলেন, ‘জঙ্গলে এমনিতেই হাতির পাল থাকে। তবে, গত কয়েকদিন ধরে গোটা জঙ্গলে অনেকগুলি হাতির দল রয়েছে। এজন্য জিপসিচালক ও গাইডদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। হাতির পাল দেখলে সেখান থেকে দ্রুত সরে যাওয়া বা সেই রাস্তা ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটকরা যাতে কোনওভাবে হাতি দেখে উত্তেজিত হয়ে না পড়েন সেদিকেও বাড়তি নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে।’

শুক্রবার সকালে নাগরাকাটা ব্লকের নিউ খুনিয়া বস্তিতে বুনো হাতির হামলায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ঠিক ওই এলাকার পাশে লাটাগুড়ি জঙ্গলে সাফারির রাস্তায় হাতির আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকদিন ধরে লাটাগুড়ির জঙ্গলে ৬০-৭০টি হাতির দল আশ্রয় নিয়েছে। জঙ্গল সাফারির রাস্তায় সেগুলি যখন তখন বেরিয়ে পড়ছে। হাতি দেখে পর্যটকরা বেজায় খুশি হলেও বন দপ্তরের কাছে এটি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ জঙ্গলে এত হাতি একসঙ্গে থাকলে যে কোনও সময় পর্যটকদের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বন দপ্তরের লাটাগুড়ির জঙ্গলের গাইড চঞ্চল দত্তর কথায়, ‘এদিনও গাড়িধুরার রাস্তা, লাটাগুড়ি সেন্ট্রাল বিট ও বড়দিঘি বিট সহ একাধিক স্থানে হাতির পালের দেখা মিলেছে।’

এছাড়া লাটাগুড়ি ও গরুমারার জঙ্গলের মধ্যে ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়কেও মাঝে মাঝে হাতির পাল উঠে পড়ছে। এর জেরে ব্যস্ততম এই পথে যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেজন্য বন দপ্তর পথচলতি মানুষ ও পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

জঙ্গলের মাঝে জাতীয় সড়ক থেকে কিছুটা দূরে দূরে বনকর্মীদের নিযুক্ত করা হয়েছে। স্পেশাল পেট্রলিং ভ্যান দিয়ে লাগাতার নজরদারি চলছে। লাটাগুড়ি জঙ্গলের পাশাপাশি গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের তরফেও হাতি নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের গরুমারা সাউথ রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার ধ্রুবজ্যোতি দে’র বক্তব্য, ‘গরুমারা জঙ্গলে পর্যটকদের যাতে সাবধানে নিয়ে যাওয়া হয় সেবিষয়ে গাইড ও চালকদের সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি ধান পাকার মরশুমে লোকালয়ে অনেক জায়গায় হাতি বেরিয়ে আসছে। গ্রামবাসীকে হাতি বেরিয়ে এলে বন দপ্তরকে খবর দিতে বলা হচ্ছে। সেইসঙ্গে একের পর এক সচেতনতা শিবিরও চলছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *