রায়গঞ্জ: ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে (Itahar Hospital Case) নার্সদের পোশাক পরিবর্তনের রুমে গোপন পেন ক্যামেরা রেখে ছবি তোলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসক বিশ্বজিৎ ঘোষকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। রায়গঞ্জের (Raiganj) বাসিন্দা ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত চিকিৎসক তার এই অপকর্মের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেবল এক বা দুজন নার্স নয়, হাসপাতালের বহু মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীর গোপন ছবিই ওই ক্যামেরায় বন্দি হয়েছে। অভিযুক্তের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা পেন ক্যামেরা ও সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে যে, নার্সদের অনুপস্থিতিতে ওই চিকিৎসক বারবার তাদের চেঞ্জিং রুমে যাতায়াত করেছেন।
এদিকে, এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতের চত্বরেই নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত চিকিৎসকের পরিবারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত নার্সরা শুক্রবার জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) দ্বারস্থ হন।
নার্সদের আইনজীবী শুভজিৎ দে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু না করা হলে তারা হাইকোর্টে যেতে বাধ্য হবেন। অন্যদিকে, জেলা পুলিশের (Police) পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, পরবর্তী শুনানিগুলোতে ডিএফপি সদর, ইটাহার ও রায়গঞ্জ থানার আইসি এবং মহিলা থানার আইসি-কে নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

