Inspirational Story | ৫২ বছর বয়সে ইউটিউব থেকে প্রথম আয়! ভারতীয় এক মায়ের সাফল্যে চোখে জল নেটপাড়ার

Inspirational Story | ৫২ বছর বয়সে ইউটিউব থেকে প্রথম আয়! ভারতীয় এক মায়ের সাফল্যে চোখে জল নেটপাড়ার

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়’—এই পুরনো প্রবাদটিকেই আরও একবার সত্যি করে দেখালেন ৫২ বছর বয়সী এক ভারতীয় জননী। বয়স যে স্রেফ একটা সংখ্যা মাত্র, আর সাফল্যের জন্য কঠোর পরিশ্রমই শেষ কথা, তা প্রমাণ করে দিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর প্রচেষ্টার পর ইউটিউব থেকে জীবনের প্রথম আয় হাতে পেয়ে আবেগে ভাসলেন এই মহিলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সেই খুশির মুহূর্ত এখন ভাইরাল।

ছয় মাসের পরিশ্রম ও একঝাঁক স্বপ্ন
ইনস্টাগ্রামে অংশুল পারিক (Anshul Pareek) নামে এক তরুণী তাঁর মায়ের এই বিশেষ মুহূর্তের ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই নারী মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে বসে আছেন। তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু এবং মুখে তৃপ্তির হাসি। অংশুল যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, “কী হয়েছে মা?” (Kya hua mummy?), তখন তিনি গর্বের সাথে জানান যে, ৫২ বছর বয়সে এসে তিনি ইউটিউব থেকে তাঁর প্রথম উপার্জন করেছেন। মাত্র ছয় মাসের নিরলস পরিশ্রমে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেছেন।

“গর্বিত কন্যা”
ভিডিওটির ওপর লেখা একটি টেক্সট নজর কেড়েছে সবার— “স্বপ্নের কোনও নির্দিষ্ট বয়স হয় না, শুধু প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম; আর তিনি তা প্রমাণ করে দিয়েছেন।” মায়ের এমন সাফল্যে অংশুল ক্যাপশনে লিখেছেন, “আমি একজন গর্বিত কন্যা।” নেটিজেনদের মতে ভিডিওটি কেবল একটি আর্থিক প্রাপ্তির খবর নয়, বরং এটি একজন নারীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নপূরণের গল্পও বটে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্বয়ং ‘ইউটিউব ক্রিয়েটরস ইন্ডিয়া’ (YouTube Creators India)-র অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে মন্তব্য করা হয়েছে। তারা এই ঘটনাটিকে “অবিশ্বাস্যভাবে অনুপ্রেরণামূলক” বলে অভিহিত করে অভিনন্দন জানিয়েছে।

অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন নেটিজেনরা
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এই ভিডিও দেখে আপ্লুত। কেউ লিখেছেন, “আজকের দিনটি আমার সার্থক হল।” আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, “নতুন কিছু শুরু করার জন্য কোনও বয়সই দেরি নয়।” তাঁদের মতে ভিডিওটি প্রমাণ করে যে, গৃহকোণে থাকা সাধারণ মানুষের ভেতরেও অসাধারণ প্রতিভা লুকিয়ে থাকে, যা সঠিক প্ল্যাটফর্ম পেলে ডানা মেলতে পারে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *