উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে এসে নিজ ভূমে পরবাসী ভারতীয় ফুটবলাররা (Indian Soccer Controversy )! আগামী ৩১ মার্চ এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে হংকংয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। সেই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে একটি সাংবাদিক বৈঠক করার কথা ছিল জাতীয় কোচ খালিদ জামিলের। কিন্তু স্টেডিয়ামের গেট থেকেই ফিরে আসতে হলো কোচ খালিদ, তারকা মিডফিল্ডার সাহাল আবদুল সামাদ এবং আশিক কুরুনিয়ানদের। কারণ? কেরালা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (KFA) স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সিকিওরিটি ডিপোজিট জমা দেয়নি।
নিয়ম অনুযায়ী, এই ম্যাচের আয়োজনের জন্য গ্রেটার কোচিন ডেভলপমেন্ট অথরিটিকে (GCDA) একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সিকিওরিটি ডিপোজিট হিসেবে দেওয়ার কথা কেরালা ফুটবল সংস্থার। কিন্তু বকেয়া অর্থ নিয়ে দুই পক্ষের বিবাদের জেরে এদিন জাতীয় দলের কোচ ও ফুটবলারদের ঢুকতে দেয়নি জিসিডিএ। দেশের মান-সম্মান জড়িয়ে থাকা একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে এমন অপেশাদার আচরণে স্তম্ভিত ফুটবল ভক্তরা।
ভারতীয় ফুটবল দল বর্তমানে এমনিতেই পারফরম্যান্সের তলানিতে রয়েছে। এশিয়ান কাপের মূলপর্বে যাওয়ার আশাও কার্যত শেষ। তার ওপর এই ধরনের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ফেডারেশনের (AIFF) কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এর আগে ব্লু টাইগ্রেসদের জার্সি বিভ্রাট— যেখানে ৮০ শতাংশ ফুটবলারের জার্সিই মাপে ছোট হয়েছিল— এবং ফেডারেশন অ্যাকাডেমির বিরুদ্ধে বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল দেশ। এবার ঘরের মাঠে জাতীয় দলের কোচের সাংবাদিক বৈঠক করতে না পারা সেই লজ্জার তালিকায় নতুন সংযোজন।
যদিও এই ঘটনার পর সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, কেরালা ফুটবল সংস্থার ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাদের দাবি, ছোটখাটো বিবাদ মিটিয়ে ৩১ মার্চের ভারত-হংকং ম্যাচটি পরিকল্পনামাফিকই আয়োজিত হবে। তবে ম্যাচের আগে ফুটবলারদের মনোবল এভাবে ধাক্কা খাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ফুটবলারদের একাংশ।
