Indian Sailors Trapped | কৃষ্ণসাগরে মুহুর্মুহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইউক্রেনের বন্দরে আটকে ১৩ ভারতীয় নাবিক! দ্রুত উদ্ধারের আর্জি

Indian Sailors Trapped | কৃষ্ণসাগরে মুহুর্মুহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইউক্রেনের বন্দরে আটকে ১৩ ভারতীয় নাবিক! দ্রুত উদ্ধারের আর্জি

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের (Russia-Ukraine Struggle) জেরে কৃষ্ণসাগরে (Black Sea) বড় বিপদের মুখে ভারতীয় নাবিকরা (Indian Sailors Trapped)। ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইউক্রেনের চর্নোমস্ক বন্দরে (Chornomorsk Port) ‘এম.ভি. আমির১’ নামের পণ্যবাহী জাহাজে আটকে পড়েছেন ১৫ জন। যাদের মধ্যে ১৩ জনই ভারতীয়। এই পরিস্থিতিতে পড়ে কার্যত মৃত্যুর প্রহর গুনছেন আটকে থাকা নাবিকেরা।

ফরওয়ার্ড সি-মেন’স ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (FSUI) সোশ্যাল মিডিয়ায় নাবিকদের জীবনঝুঁকির কথা উল্লেখ করে একটি জরুরি আবেদন জানিয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, জাহাজের একেবারে নিকটবর্তী এলাকায় ঘনঘন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। যেকোনও মুহূর্তে জাহাজে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কায় চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন আটকে থাকা নাবিকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ভিডিওতে জাহাজটির আশপাশ থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গিয়েছে, যা ওই এলাকার ভয়াবহ নিরাপত্তা পরিস্থিতির স্পষ্ট প্রমাণ দেয়।

নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অবিলম্বে তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে (Repatriation) ভারত সরকার, জাহাজ কর্তৃপক্ষ এবং ফ্ল্যাগ স্টেটের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, “সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকদের এভাবে ‘সহজ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ফেলে রাখা যায় না।”

সাম্প্রতিক সময়ে কৃষ্ণসাগরে পণ্যবাহী জাহাজের ওপর হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত সপ্তাহেই কৃষ্ণসাগরে এক পণ্যবাহী জাহাজে হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়, যা নিয়ে ভারত সরকার ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। এর পরপরই চর্নোমস্ক বন্দরের এই ঘটনায় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড়ো প্রশ্ন উঠে গেল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক বা সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানির প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন আটকে পড়া নাবিকদের পরিবার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *