India-US Interim Commerce Deal | শুল্ক হ্রাসের নয়া দিগন্ত: ভারত ও আমেরিকার মধ্যে ঐতিহাসিক অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত

India-US Interim Commerce Deal | শুল্ক হ্রাসের নয়া দিগন্ত: ভারত ও আমেরিকার মধ্যে ঐতিহাসিক অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারত ও আমেরিকার বাণিজ্যিক সম্পর্কে নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো। হোয়াইট হাউসের (White Home) তরফে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, দুই দেশ একটি ‘অন্তর্বর্তী’ বাণিজ্য চুক্তির (India-US Interim Commerce Deal) কাঠামো চূড়ান্ত করেছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের বাজারে পণ্য প্রবেশের পথ সুগম হওয়ার পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও (Piyush Goyal) একটি যৌথ বিবৃতি পোস্ট করে এই তথ্য জানিয়েছেন।

শুল্কের বোঝা লাঘব সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে শুল্ক কমানোর ঘোষণা করেছিলেন। সেই সূত্র ধরেই জানা গিয়েছে, ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৫০% থেকে কমিয়ে ১৮% করার বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি। বিশেষ করে বস্ত্র, চামড়া, হস্তশিল্প এবং নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর এই সুবিধা পাওয়া যাবে। এমনকি চুক্তির সফল বাস্তবায়নের পর জেনেরিক ওষুধ, হীরা ও বিমানের যন্ত্রাংশের ওপর থেকে শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহারের ইঙ্গিতও দিয়েছে আমেরিকা।

সুরক্ষিত ভারতের কৃষক ও দুগ্ধ শিল্প কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আশ্বস্ত করেছেন যে, এই চুক্তিতে ভারতের সংবেদনশীল ক্ষেত্র বিশেষ করে দুগ্ধ ও কৃষি খাতে কোনো আপস করা হয়নি। তিনি জানান, এই চুক্তি ভারতের MSME ক্ষেত্র, কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের জন্য ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাজারের দরজা খুলে দেবে। এর ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ নারী ও যুবকের কর্মসংস্থান হবে।

আমেরিকার জন্য বাজারের দুয়ার চুক্তির বিনিময়ে ভারতও বেশ কিছু মার্কিন শিল্প ও কৃষিজাত পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার বা হ্রাস করবে। এর মধ্যে রয়েছে বাদাম, ফল, সয়াবিন তেল এবং ওয়াইন। পাশাপাশি ভারত আগামী পাঁচ বছরে আমেরিকা থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জ্বালানি, বিমান, প্রযুক্তি পণ্য এবং কোকিং কয়লা কেনার পরিকল্পনা করছে।

প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা কেবল পণ্য নয়, প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও দুই দেশ একযোগে কাজ করবে। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার সরঞ্জাম এবং জিপিইউ (GPU)-এর মতো উচ্চপ্রযুক্তির পণ্যের বাণিজ্যে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যদি ভবিষ্যতে কোনো দেশ শুল্কের হার পরিবর্তন করে, তবে অন্য দেশও তার শর্তাবলি সামঞ্জস্য করার সুযোগ পাবে। এই অন্তর্বর্তী চুক্তি মূলত একটি বৃহত্তর এবং স্থায়ী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির (BTA) ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *