আগেই জানা গিয়েছিল বাংলাদেশকে ২০০ রেল কোচ দেবে ভারত। বুধবার সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ১৯টি এলএইচবি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম ‘র্যাক’টি পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরি থেকে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হল। জানা গিয়েছে, এই সহযোগিতা কাজে লাগিয়ে নতুন ৩টি রেল রুট চালু হচ্ছে পদ্মাপাড়ে।
সূত্রের খবর, প্রথম পর্বে দু’টি এসি স্লিপার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কার, এগারোটি নন-এসি চেয়ার কার এবং দু’টি পাওয়ার কার রয়েছে। কোচগুলি অনন্য নকশার। বেশ কিছু কারিগরি পরিবর্তনও আনা হয়েছে। যা এলএইচবি প্রথমবার করা হয়েছে। কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরির এক কর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের চাহিদা ও মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে কোচগুলিকে। এতে প্রচলিত সবুজ ও সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালনগত ও যাত্রীসেবা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণের লক্ষ্যে এই কোচগুলোকে বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
🔸Rail Coach Manufacturing unit, Kapurthala to roll out first Rake of LHB Coaches for Bangladesh Railway.
🔸The coaches have been specifically customised to satisfy the operational and passenger necessities of Bangladesh Railway.
🔸The seating association incorporates specifically designed… pic.twitter.com/GMyXHAueh6
— PIB India (@PIB_India) August 12, 2026
বসার ব্যবস্থায় বিশেষভাবে নকশা করা হেলান দেওয়ার উপযোগী চেয়ার (রিক্লাইনিং চেয়ার) রাখা হয়েছে। এগুলোতে স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি হাত ও পা রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীদের বাড়তি আরামের জন্য চেয়ারগুলি বিভিন্ন অবস্থানে হেলিয়ে রাখা যায়। এছাড়াও কোচগুলোতে যাত্রীবান্ধব নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এসি কোচে ফ্যান, সিসিটিভি নজরদারি ব্যবস্থা, যাত্রীদের জন্য অ্যালার্ম ব্যবস্থা, আংশিক খোলা যায় এমন জানালা, শিশু পরিচর্যা কক্ষ এবং প্রার্থনা কক্ষ রয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, স্বল্প খরচে ও দ্রুত পরিষেবার লক্ষ্যে বাংলাদেশে গত পাঁচ বছরে নতুন নতুন রেলপথ তৈরি হয়েছে। কিন্তু কোচ-সংকটে এতদিন এইসব রুটে ট্রেন চালু করতে পারেনি বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলতি আগস্ট মাসে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচ আসার পরই সংকট কাটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখনও অস্বস্তির পরিবেশ রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনের যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। অন্যদিকে জ্বালানি, চাল-সহ একাধিক খাদ্যপণ্য এবং রেল কোচ পাঠাচ্ছে ভারত। সব মিলিয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ধাঁধাঁয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
