মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে পথে নেমেছে ইন্ডি জোট। যতদিন পর্যন্ত জ্ঞানেশ ইস্তফা না দিচ্ছেন, ততদিন পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সূত্রের খবর, এবার বিরোধী সাংসদদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন চলতি সপ্তাহেই। শোনা যাচ্ছে, ওই প্রতিনিধি দলে থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সম্প্রতি ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
নিত্যদিন নতুন নতুন কর্মসূচি পালন করছেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। মঙ্গলবার সংসদের মকর দ্বার থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর পর্যন্ত মিছিল দিয়ে শুরু হয় তাঁদের কর্মসূচি। কিন্তু কমিশন পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার আকাশবাণী ভবনের সামনে ধরনায় বসে পড়েন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে একঝাঁক বিরোধী সাংসদ। বুধবারও একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের পর পথে নামেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেখানে অংশ নিয়েছিল আপও।
আরও পড়ুন:
শোনা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার ইন্ডি জোটের প্রতিবাদ কর্মসূচি আরও ঝাঁজালো হবে। নতুন করে একাধিক সাংসদ যোগ দিতে পারেন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে। মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডি জোটের বাইরে থাকা বিজু জনতা দলও যোগ দিয়েছিল। প্রথম থেকেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলাতে দেখা গিয়েছে। এবার মমতাপন্থী তৃণমূলের অন্যান্য সাংসদদেরও ইন্ডি জোটের কর্মসূচিতে দেখা যেতে পারে। যেসব সাংসদরা প্রথম দু’দিনের কর্মসূচিতে থাকেননি, তৃতীয় দিনে তাঁরাও যোগ দিতে চলেছেন বলেই খবর।
এহেন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি সাক্ষাৎ করবেন বিরোধীদের সঙ্গে, এমনটাই সূত্রের খবর। আগামী শুক্রবার এই বৈঠক হতে পারে। ১০ জনের সেই প্রতিনিধি দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জায়গা পেতে পারেন। আসলে একটা সময় তাচ্ছিল্য করলেও ছাব্বিশ নির্বাচনে হারের পর মমতা ‘ইন্ডি’ জোট নিয়ে নতুন করে জাল বুনতে শুরু করেছেন। বাংলার উপ নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে কংগ্রেসকে সমর্থন করছেন। কথা বলেছেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গেও। ইন্ডি জোটও আপাতত তাঁকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন জোটের লাগাম কংগ্রেসের হাতেই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
