কথায় কথায় উড়াল দিচ্ছেন বিদেশ? ব্যবসার খাতিরে হোক বা নিজ প্রয়োজনে। বিদেশি মুদ্রার লেনদেন এখন জলভাত। কিন্তু নিয়ম না মানলেই গেরো! যারা বিদেশি মুদ্রায় দেদার আর্থিক লেনদেন করছেন, তাঁরা সময়মতো সরকারকে সমস্ত বৈধ নথিপত্র জমা দিন। সময়মতো আয়কর রিটার্ন ফাইল না করলে আপনি আইনি বিপদে পড়তে বাধ্য।
সম্প্রতি কলকাতা আয়কর ভবনে ডিরেক্টরেট অফ ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন একটি বিশেষ সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করেছিল। উপলক্ষ ছিল, ২০২৫–২৬ রিপোর্টিং ইয়ারের ‘স্টেটমেন্ট অফ ফাইন্যান্সিয়াল ট্রানজ্যাকশন’ বা এসএফটি (SFT) সংক্রান্ত আলোচনা। সেখানে ফরেক্স ডিলার থেকে শুরু করে সমবায় ব্যাঙ্ক ও কর পেশাজীবীদের স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রিটার্ন দাখিল করতে হবে একেবারে নির্ভুল ও সময়মতো। কেন এই কড়াকড়ি? আসলে এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আপনার অ্যানুয়াল ইনফরমেশন স্টেটমেন্ট বা এআইএস (AIS)। তথ্য সঠিক থাকলে সেখানে কোনও ত্রুটি থাকবে না, ফলে করদাতাদের কর জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও অনেক মসৃণ হবে।
আরও পড়ুন:
এ দিনের সভায় উপস্থিত ডেপুটি ডিরেক্টর অনুপম মজুমদার ও সায়ন্তন ব্যানার্জি নতুন আয়কর আইন, ২০২৫-এর নানা খুঁটিনাটি ও ১৯৬১ সালের আইনের সঙ্গে এর ফারাক নিয়ে আলোচনা করেন। তাই সাধু সাবধান! বিদেশের মাটিতে দেদার খরচ করুন আপত্তি নেই, তবে বৈধ নথিপত্র সঙ্গে রেখে আইন মেনে চলুন। নচেৎ, আয়করের নোটিস কিন্তু আপনার শান্তির ঘুম কেড়ে নিতে পারে নিমেষে।
কী কী বিপদ হতে পারে?
সময়মতো রিটার্ন ফাইল না করলে মোটা টাকা জরিমানা হতে পারে। ব্যাঙ্ক থেকে লোন পেতে অসুবিধা হতে পারে। এমনকী গুরুতর ক্ষেত্রে আয়কর অপ্তরের কাছ থেকে আসতে পারে নোটিস।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
