ভারত (প্রথম ইনিংস): ৪৬২/১০ (পাড়িক্কল ১৬৭, রাহুল ৮২, প্রভাত জয়সূর্য ১০৯/৪)
শ্রীলঙ্কা (প্রথম ইনিংস): ২৮৪/১০ (সোনাল ১০০, মানব ৭৬/৪, জাদেজা ৫৭/৩)
ভারত (দ্বিতীয় ইনিংস): ১৯৩/১০ (পন্থ ৬৬, দেবদত্ত ৪৪, ফার্নান্দো ৩১/৪)
শ্রীলঙ্কা (দ্বিতীয় ইনিংস): ৮৪/৪ (ধনঞ্জয় ৩১*, সোনাল ২৫*, মানব ৩০/২)
উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ গল টেস্টের শেষ দিনে রোমাঞ্চ তুঙ্গে! শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে ভারত (IND vs SL Galle Check 2026)। চতুর্থ দিনের শেষে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন আর মাত্র ৬টি উইকেট, অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্য থেকে দূরত্ব এখনও ২৮৮ রান। পঞ্চম দিনে আবহাওয়া বা বৃষ্টি বাধা না হয়ে দাঁড়ালে টিম ইন্ডিয়ার জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রথম ইনিংসে ভারতের পাহাড়সমান ৪৬২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গিয়েছিল ২৮৪ রানে। ফলে ১৭৮ রানের বড় লিড হাতে নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ভারত। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় ব্যাটাররা বড় রান করতে ব্যর্থ হন এবং মাত্র ১৯৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় দল। একমাত্র ঋষভ পন্থ মাত্র ৬৯ বলে ঝোড়ো ৬৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে টানেন, যার সুবাদে তিনি টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ১০০ ছক্কার বিশ্বরেকর্ড গড়েন। এছাড়া দেবদত্ত পাড়িক্কল (৪৪) ও কেএল রাহুল (৩৫) লড়াই চালালেও যশস্বী জয়সওয়াল (০), শুভমান গিল (৮), ধ্রুব জুরেল (৭)-রা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। টেলএন্ডারদের ব্যর্থতায় ভারতের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ায় লঙ্কানদের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭২ রান।শ্রীলঙ্কার বোলিংয়ের হয়ে অসিথা ফার্নান্দো ৪টি এবং প্রভাত জয়সূর্য ৩টি উইকেট শিকার করেন।
৩৭২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা ৪ উইকেট হারিয়ে তুলেছে মাত্র ৮৪ রান। গলের স্পিন সহায়ক উইকেটে রবীন্দ্র জাদেজা, মানব সুথার ও কুলদীপ যাদবদের ঘূর্ণি সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন লঙ্কান ব্যাটাররা। ক্রিজে বর্তমানে লড়ছেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা সোনাল দিনুশা (২৫) ও অধিনায়ক ধনঞ্জয় সিলভা (৩১)। পঞ্চম দিনে এই জুটি ভাঙাই ভারতীয় বোলারদের প্রধান লক্ষ্য হবে।
এদিকে চতুর্থ দিনেও পিছু ছাড়েনি বিতর্ক। মানব সুথারের বলে লাহিরু উদারার একটি ক্যাচ ধরা নিয়ে মাঠে তৈরি হয় তীব্র সংশয়। ধ্রুব জুরেল যখন স্লিপে ক্যাচটি ধরেন, তখন বলটি আদৌ পুরোপুরি গ্লাভসবন্দি হয়েছিল নাকি মাটিতে ছুঁয়ে গিয়েছিল, তা নিয়ে রিপ্লে দেখেও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত অনফিল্ড আম্পায়ার আউট দেওয়ায় লঙ্কান শিবিরে অসন্তোষ দেখা দেয়, যা নিয়ে ম্যাচের পরেও আলোচনা চলছে।

