ICC Champions Trophy | মুখোমুখি ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা, ম্যাচের আগে অবসরের ইঙ্গিত ডুসেনের

ICC Champions Trophy | মুখোমুখি ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা, ম্যাচের আগে অবসরের ইঙ্গিত ডুসেনের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


করাচি: গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ। সেমিফাইনালের অঙ্কে গুরুত্বপূর্ণ দ্বৈরথে। ইংল্যান্ডের জন্য লন্ডনগামী বিমান ধরার আগে মুখরক্ষার ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকার পাখির চোখ সেখানে সেমিফাইনালের টিকিট। এহেন মেগা ম্যাচের আগে অবসরের ইঙ্গিত দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা মিডলঅর্ডার ব্যাটার রাসি ভ্যান ডার ডুসেন।

করাচিতে প্রাক-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, এটাই শেষ আইসিসি টুর্নামেন্ট। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেননি। শীঘ্রই টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করবেন। নিজেকে আরও কিছুটা সময় দেবেন। তবে বাস্তব হল, এই ব্যাপারে মানসিকভাবে প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন, সরকারিভাবে ঘোষণাটুকুই বাকি।

অবসরের পর কি বিশ্বব্যাপী লিগগুলিকেই বেছে নেবেন? যে প্রশ্নের উত্তরে ডুসেন জানান, তিনি উৎসাহী। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর কেরিয়ার কোন পথে এগোবে, উত্তর সময়ের হাতে। নিজের কেরিয়ারের বড় ইঙ্গিতের পাশাপাশি দুবাই-বিতর্কে ভারতকে বিঁধতে ছাড়েননি ডুসেন।

জস বাটলারদের সুরে সুর মিলিয়ে ডুসেনের দাবি, ভারত অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছে একই মাঠে সব ম্যাচ খেলার সুবাদে। বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবেই সুবিধা পাচ্ছে ভারত। পাকিস্তান এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, আমি যার সঙ্গে সহমত। আপনি যদি একই স্থান, একই হোটেলে থাকেন, অনুশীলন, ম্যাচে একই পরিকাঠামো ব্যবহার করেন, তা যে কোনও দলের জন্যই অ্যাডভান্টেজ। ভারত এমনিতেই শক্তিশালী দল। তারপর এই সুবিধা।’

তবে অসুবিধা রয়েছে বলেও মনে করেন। ডুসেনের যুক্তি, ভারতের বিরুদ্ধে যে দল সেমিফাইনাল বা ফাইনালে খেলবে, তাদের জন্য দুবাইয়ের কন্ডিশন নতুন। দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। ভারত সেখানে পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালোভাবে ওয়াকিবহাল। ফলে সুবিধার পুরো ফায়দা তোলার বাড়তি চাপ থাকবে। তবে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হলে ডুসেনের পছন্দ লাহোর। কারণ দুবাইয়ের নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে হবে। এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াতের ধকলও থাকবে না লাহোরে খেললে।

সেমিফাইনালের স্বপ্ন পূরণে শনিবার করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে প্রোটিয়া ব্রিগেডের সামনে ইংল্যান্ডের চ্যালেঞ্জ। অস্ট্রেলিয়ার পর আফগানিস্তানের কাছে হেরে ইতিমধ্যেই ছুটি হয়ে গিয়েছে বাটলার ব্রিগেডের। হতাশা, তীব্র কটাক্ষ, সমালোচনায় জেরবার। নেতৃত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বাটলার। দেশে ফেরার আগে প্রোটিয়া-বধে সান্ত্বনা খোঁজার বাড়তি তাগিদ স্বাভাবিক।

দুটি ম্যাচেই অবশ্য উত্তেজক লড়াই শেষে হারতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। অজি ম্যাচে বেন ডাকেট ১৬৫ করেও দলকে জেতাতে পারেননি। আফগান-দ্বৈরথে জো রুটের চেষ্টায় জল ঢালে সতীর্থরা। বোলিং অবশ্য মূল চিন্তার জায়গা। দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা টেম্বা বাভুমার দল যার ফায়দা তুলতে পারলে তিন ম্যাচ হেরেই ফেরার বিমান ধরতে হবে বাটলারদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *