উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত সফরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের জেরে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ নাম প্রত্যাহার করার পর যে বিতর্কের মেঘ জমেছিল, তা অনেকটাই পরিষ্কার হল আইসিসি-র সাম্প্রতিক ঘোষণায়। সোমবার আইসিসি, পিসিবি এবং বিসিবি-র মধ্যে এক ‘গঠনমূলক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ’ আলোচনার পর আইসিসি নিশ্চিত করেছে যে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার আর্থিক বা ক্রীড়া সংক্রান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
আইসিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেটের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ২০ কোটি আবেগপ্রবণ ভক্তের দেশ। তাই স্বল্পমেয়াদী এই অনুপস্থিতির জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি এড়াতে:
• ভবিষ্যৎ ইভেন্ট: ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি বড় আইসিসি ইভেন্ট এককভাবে বা যৌথভাবে আয়োজন করবে।
• অধিকার: বিসিবি প্রয়োজনে এই বিষয়ে আইসিসি-র ডিসপিউট রেজোলিউশন কমিটির (DRC) দ্বারস্থ হওয়ার অধিকারও বজায় রেখেছে।
এদিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা কাটাতে বড় ভূমিকা নিয়েছে বাংলাদেশ। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভিকে অনুরোধ করেছেন যেন পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটি খেলে। বুলবুল বলেন, “বিপদের সময় পাকিস্তান বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। কিন্তু সামগ্রিক ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের স্বার্থে পাকিস্তানের উচিত এই ম্যাচে অংশ নেওয়া।”
আইসিসি-র সিইও সঞ্জোগ গুপ্তা জানিয়েছেন, “বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক হলেও তাদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি অটুট। আমাদের লক্ষ্য হল বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভিত শক্ত করা এবং ভবিষ্যতের সুযোগগুলো নিশ্চিত করা।”
