Gangarampur Arms Restoration | গঙ্গারামপুরে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পুলিশের হানা, উদ্ধার অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি – Uttarbanga Sambad

Gangarampur Arms Restoration | গঙ্গারামপুরে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পুলিশের হানা, উদ্ধার অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি – Uttarbanga Sambad

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


গঙ্গারামপুর: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়েও জেলাগুলিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের কড়া অভিযান জারি রয়েছে। বুধবার দুপুরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এক বড়সড় সাফল্য পেল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ (Gangarampur Arms Restoration)। গঙ্গারামপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য সাহাপাড়া এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে অতর্কিতে হানা দিয়ে একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করল পুলিশ। ভরদুপুরে খোদ শাসকদলের সক্রিয় কর্মীর বাড়ি থেকে এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা গঙ্গারামপুর জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অভিযুক্তের নাম সুমন সাহা। সে গঙ্গারামপুর কলেজের একজন অস্থায়ী কর্মী এবং এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত। বুধবার দুপুরে গঙ্গারামপুর থানা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় যে, ওই যুবকের কাছে বেআইনি মারণাস্ত্র মজুত রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে গঙ্গারামপুর কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে অভিযুক্ত সুমন সাহাকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে যে অস্ত্রগুলি তার বাড়িতেই লুকানো রয়েছে।

তড়িঘড়ি পুলিশ বাহিনী অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে মধ্য সাহাপাড়ায় তার নিজস্ব বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায়। তল্লাশিকালে সুমনের শোবার ঘরের খাটের নিচ থেকে উদ্ধার হয় চকচকে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ রাউন্ড তাজা গুলি। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গেই অস্ত্র ও গুলিগুলি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি অভিযুক্ত সুমন সাহাকে অস্ত্র আইনের নির্দিষ্ট ধারায় গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

শাসকদলের কর্মীর বাড়ি থেকে এভাবে লোডেড আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের খবর ছড়াতেই মধ্য সাহাপাড়া এলাকায় তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। এলাকায় বড়সড় কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র কষার জন্যই এই অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দা নির্মলেন্দু হাতি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একজন রাজনৈতিক কর্মীর ঘরে এভাবে আধুনিক বন্দুক আর গুলি লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও কঠোর তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”

এদিকে, গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার এক মেগা তদন্ত শুরু করেছে। উদ্ধার হওয়া এই অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি ঠিক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, এর পেছনে আন্তঃরাজ্য কোনও অস্ত্র পাচার চক্রের হাত রয়েছে কি না এবং কোনও বড়সড় অপরাধমূলক বা রাজনৈতিক হিংসার কাজে এই অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল কি না, তা ধৃত সুমন সাহাকে হেপাজতে নিয়ে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *