Gaighata Scholar Rape Homicide | গাইঘাটায় একাদশের ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুন! প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নির্যাতিতার বিবস্ত্র দেহ, এলাকায় উত্তেজনা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা (Gaighata Scholar Rape Homicide)। রবিবার সকালে এক প্রতিবেশীর বাড়ির বাথরুমের সামনে থেকে ওই ছাত্রীর বিবস্ত্র ও ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নির্যাতিতার এক আত্মীয়কে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রী গাইঘাটা থানা এলাকার একটি স্থানীয় স্কুলের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। শনিবার রাতে গাইঘাটা বাজার এলাকায় বিজয়া সম্মিলনীর একটি অনুষ্ঠান চলছিল। পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিল ওই কিশোরী।

মৃতার পরিবারের সদস্যদের দাবি, রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ওই কিশোরীর মোবাইলে একটি ফোন আসে। ফোন পাওয়ার পরেই সে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর সারারাত তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সকালে প্রতিবেশীদের একটি বাড়ির বাথরুমের সামনে তাঁর ক্ষতবিক্ষত ও বিবস্ত্র দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরিবারের দাবি, নৃশংসভাবে ধর্ষণ করার পর তাঁকে খুন করা হয়েছে।

মৃতার মামি জানান, “রাস্তায় ওর সঙ্গে আমাদের দেখা হয়েছিল। আমরা একসঙ্গে বাড়ি ফেরার কথা বললেও ও জানায় বান্ধবীর সঙ্গে পরে ফিরবে। এরপর সকালে পাশের বাড়ির লোক এসে খবর দেয়।” স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বিপ্লবী দাস এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

খবর পেয়ে গাইঘাটা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বাহিনী টহল দিচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এক আত্মীয়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *