Function of IFA questioned after referee of Lionel Messi all stars match punished

Function of IFA questioned after referee of Lionel Messi all stars match punished

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


বাংলার চারিদিকে খেপের ফুটবল হচ্ছে প্রতিদিন। যেখানে কোনও অনুমতি ছাড়াই রেফারিরা দিনের পর দিন খেলাচ্ছেন। আর সেই ম্যাচগুলিতেই বুকে ব্যাজ পরে স্টেজ আলো করে বসে থাকেন আইএফএর কর্তারা। তখন সবাই স্পিকটি নট। আর যেই মেসির সামনে মোহনবাগান-ডায়মন্ডহারবার এফসি ম্যাচে প্রাক্তন ফুটবলারদের ম্যাচে রেফারিরা খেলালেন, সঙ্গে সঙ্গে নির্বাসনের শাস্তি! মন্দ জনেরা বলছেন, মেসিকে সামনে থেকে দেখার জন্য ম্যাচের সংগঠক শতদ্রু দত্ত আইএফএ-কে সেই সময় টিকিট পাঠায়নি বলেই শতদ্রুর রাগটা সেই ম্যাচের রেফারি, ম্যাচ কমিশনারের উপর মেটাল আইএফএ। দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার। কথা উঠছে, সারা বছর ম্যাচ দিয়ে অন্ন সংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে না। সেখানে অন্যর রাগ মেটাতে রেফারিদের নির্বাসন দিয়ে পেটে লাথি মারার চেষ্টা করছেন আইএফএ কর্তারা।

মেসির সামনে যুবভারতীতে ১৩ ডিসেম্বর ম্যাচ খেলিয়েছিলেন রেফারি রোহন দাশগুপ্ত। সহকারী রেফারির ভূমিকায় ছিলেন দেবদত্ত মণ্ডল, নীলরতন সরকার, দেবব্রত নস্কর। সেদিনের ম্যাচ কমিশনার ছিলেন অপরূপ চক্রবর্তী। আইএফএর অনুমোদন ছাড়া তাঁরা মেসির আগমনকে কেন্দ্র করে যুবভারতীর ম্যাচে যুক্ত ছিলেন বলে নির্বাসনের শাস্তি দিয়েছে আইএফএ। রোহন দাশগুপ্তকে এক বছরের নির্বাসন। সহকারী রেফারি এবং ম্যাচ কমিশনার অপরূপকে ৬ মাসের নির্বাসন। মেসির ম্যাচ হয়েছে ১৩ ডিসেম্বর। তারপর এক মাস কেটে যাওয়ার পর সেদিন যারা মেসি ম্যাচে যুক্ত ছিলেন, আইএফএ তাঁদের শাস্তি দিয়েছে। আর এই নিয়েই হইচই পড়ে গিয়েছে বাংলার ফুটবল মহলে।

আরও পড়ুন:

প্রথমত বছরের পর বছর ধরে বাংলার ফুটবলে পাড়ায় পাড়ায় চারিদিকে ৬ জন করে, কখনও বা ৭ জন করে ম্যাচ হচ্ছে। যেখানে আইএফএর অনুমোদিত সিআরএর রেফারিরাই ম্যাচ খেলান। কোথাও কোনও অনুমতি নিতে হয় না। আসলে একজন টপ ক্লাস রেফারি প্রতি ম্যাচে ১ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ ১০-১১টি ম্যাচ লিগে খেলাতে পারেন। তারপর আর কোনও ম্যাচ নেই। মানে একজন সর্বোচ্চ মানের রেফারিকে বছরের ১০ হাজার টাকার ব্যবস্থা করে দিয়ে সারা বছরের অনৈতিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইছে আইএফএ। সারা বছর কাজের বিকল্প ব্যবস্থা করে দিয়ে আইএফএ যদি এই নিয়ন্ত্রণের অধিকার দেখাত, অবশ্যই খুশি হতেন রেফারিরা। কিন্তু আর্থিক রোজগারের ব্যবস্থা নেই, আর মেসির সামনে ম্যাচ খেলালে সংবিধানের দোহাই দিয়ে সারা বছরের জন্য রেফারির পেটে লাথি মারছে আইএফএ।

উল্লেখ্য, ম্যাচ কমিশনার হিসেবে যাঁকে ৬ মাসের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে, সেই অপরূপ চক্রবর্তী সিআরএ-র সদস্যই নন। অরুনাভ ভট্টাচার্যর মতো তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ম্যাচ কমিশনার হয়েছেন। যাঁর পিছনে আইএফএর কোনও ভূমিকাই নেই। তিনি কেন আইএফএর অনুমতি নিয়ে ম্যাচে যাবেন, সেটাই বোধগম্য নয়। সব মিলিয়ে আইএফএর এই তুঘলকি সিদ্ধান্তে সবাই মনে করছেন, মেসি ম্যাচকে কেন্দ্র করে টিকিট নিয়ে যেহেতু শতদ্রু দত্তর সঙ্গে আইএফএর সমস্যা হয়েছিল, সেই কারণেই শতদ্রুর রাগটা রেফারিদের উপর মেটাল আইএফএ। অথচ চোখের সামনে রোজ বিভিন্ন খেপের ম্যাচ খেলিয়ে চলেছেন রেফারিরা। ময়দানের এক ক্লাব কর্তা বললেন, ‘আসলে আইএফএর তো মেসিকে আনার মতো সামর্থ নেই। তাই যে আনে তার উপর রাগ মেটায়।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *