Flight Disruption | তীব্র সৌর বিকিরণ! বিশ্বজুড়ে বিমান পরিষেবায় প্রভাব, বিবৃতি জারি করল এয়ার ইন্ডিয়া সহ তিন সংস্থা

Flight Disruption | তীব্র সৌর বিকিরণ! বিশ্বজুড়ে বিমান পরিষেবায় প্রভাব, বিবৃতি জারি করল এয়ার ইন্ডিয়া সহ তিন সংস্থা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বড়সড়ো দুর্ভোগের মুখে পড়তে চলেছেন বিমান যাত্রীরা। বিশ্বজুড়ে তৈরি হল এক বিমান বিপর্যয়। ইউরোপীয় বিমান সংস্থার হিসেব বলছে, বর্তমানে আকাশে উড়ছে এমন প্রায় ৬ হাজার A320 বিমানেই থাকতে পারে সফটওয়্যারজনিত ত্রুটি! ত্রুটির উৎস নাকি সূর্যের অস্বাভাবিক তীব্র বিকিরণ।

দেশজুড়ে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বিমান পরিষেবায় (Flight Disruption)। বিবৃতি দিয়ে জানাল এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এই সংস্থাগুলির অনেক বিমান নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছাড়তে পারে। কিছু বিমানের সময় পরিবর্তন করে দেওয়া হতে পারে। পরিস্থিতি বুঝে বেশকিছু বিমান বাতিলও করা হতে পারে। সম্ভাব্য সমস্যার কথা জানিয়ে আগেই যাত্রীদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছে তিন সংস্থা।

সূর্যের ভেতরে নিউক্লিয়ার ফিউশনের ফলে বিপুল শক্তি তৈরি হয়। সেই শক্তি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ও চার্জড কণার আকারে মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই সৌর বিকিরণ বেড়ে গেলে মহাশূন্য থেকে আসা উচ্চশক্তির কণা ইলেকট্রনিক সার্কিটে প্রভাব ফেলে। এর পোশাকি নাম single-event upset (SEU)। চার্জড কণা ইলেকট্রনিক চিপে ‘আঘাত’ করলে ডেটা বিট উলটে যেতে পারে। তখন সফটওয়্যার মনে করে ভুল তথ্য আসছে। কম্পিউটার বিগড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বিমান চালু থাকলে বিপদ। মূলত A320 সিরিজের বিমানেই এই বিপদের সম্ভাবনা বেশি।

সৌর বিকিরণের কথা জানিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল বিমান নির্মাণকারী সংস্থা এয়ারবাস। এয়ারবাস জানিয়েছে, তাদের A320-ফ্যামিলি জেটগুলিতে যে বিমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, তার তথ্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে সৌর বিকিরণের কারণে। তাই অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট বিমানগুলিকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো দরকার। বিমানের সফটওয়্যার আপডেট এবং হার্ডওয়্যারের পুনর্বিন্যাস করা দরকার। ভারতের তিন সংস্থাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে এয়ারবাসের বিমান ব্যবহার করে। জানা গিয়েছে, দেশের অন্তত ২০০-২৫০টি বিমানে সমস্যা হতে পারে। ভারতে বর্তমানে A320 সিরিজের ৫৬০টি বিমান রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২৫০ বিমানের সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারে মেরামতি করতে হবে বলে মনে করছে এয়ারবাস।

পাশাপাশি, সৌর বিকিরণের প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে বিমান পরিষেবায়। এর জেরে এয়ার ফ্রান্স বাতিল করেছে অন্তত ৩৫টি ফ্লাইট। দক্ষিণ আমেরিকার এভিয়ানকা জানিয়েছে, তাদের ৭০ শতাংশ বিমানেই একই সমস্যা ধরা পড়েছে। ইউরোপীয় উড্ডয়ন নিরাপত্তা সংস্থা EASA জানিয়েছে, তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।

আমেরিকান এয়ারলাইনস জানিয়েছে, শুক্রবারের সতর্কতার পরই ৩৪০টি বিমানে সফটওয়্যার আপডেটের কাজ শুরু হয়েছে। শনিবারের মধ্যে বেশিরভাগ বিমান স্বাভাবিক হতে পারে। এভিয়ানকা জানিয়েছে, আগামী ১০ দিন ধরে বড়সড়ো বিপর্যয় চলতে পারে। ইউনাইটেড এয়ারলাইনস দাবি করেছে, তাদের বিমানগুলি আপাতত এই সমস্যায় পড়েনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *