SJDA | করলার অসম্পূর্ণ সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে অনুরোধ, পূর্ত দপ্তরকে চিঠি এসজেডিএ’র

SJDA | করলার অসম্পূর্ণ সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে অনুরোধ, পূর্ত দপ্তরকে চিঠি এসজেডিএ’র

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


পূর্ণেন্দু সরকার, জলপাইগুড়ি: বাম আমলে ১৬ বছর আগে জলপাইগুড়ি শহরের সমাজপাড়ায় এসজেডিএ’র তরফে করলা নদীর একটি সেতু তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু জমিজট সমস্যার কারণে সেই সেতুর দু’দিকের অ্যাপ্রোচ রাস্তা আজ পর্যন্ত তৈরি হয়নি। এবার সেই সেতুকে সম্পূর্ণভাবে তৈরি করার তৎপরতা শুরু করল শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (SJDA)। তার আগে সেতুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পূর্ত দপ্তরকে লিখিতভাবে অনুরোধ করল এসজেডিএ।

এসজেডিএ’র সিইও পান্ধারিনাথ ওয়াংখেড়ে জানান, সেতুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বর্তমান অবস্থা জানাতে বলেছি পূর্ত দপ্তরকে। এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান দিলীপ দুগারের কথায়, ‘আমরা সেতুটি চালু করতে চাই। অ্যাপ্রোচ রাস্তা দু’দিকে তৈরি করতে বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু তার আগে পূর্ত দপ্তর রিপোর্ট দিক যে, সেতুটি এখনও চলাচলের উপযোগী রয়েছে। তাহলেই আমরা কাজ শুরু করব।’

জলপাইগুড়ি শহরের মধ্যে করলা নদীর এটি পাঁচ নম্বর সেতু, যা এখনও সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়নি। প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান থাকাকালীন সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল। শুধু অ্যাপ্রোচ রোড নয়, সেতুর উপরে প্লাস্টারের কাজও বাকি রয়েছে। দু’দিকের অ্যাপ্রোচ রাস্তার জায়গায় মাটিতে ধস নেমেছে। বর্তমানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেতুটি। অথচ সেতুটি সম্পূর্ণ হলে অল্প সময়ে বিভিন্ন নার্সিংহোম এবং জেলা হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া সহজ হত। স্থানীয় বাসিন্দা শংকর মাহাতোর কথায়, ‘সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হলে যাতায়াতে খুব সুবিধা হত। কিন্তু এভাবে অসম্পূর্ণ অবস্থায় সেতুটিকে ফেলে রাখায় নষ্ট হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল বলেন, ‘স্থানীয় মানুষজন পুরসভাকে জিজ্ঞেস করেন, কবে সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে। আমরা এসজেডিএ’র চেয়ারম্যানকে সেতুর কাজ সম্পূর্ণ করার আবেদন জানিয়েছি।’

বাম আমলের পর এসজেডিএ’র একাধিক চেয়ারম্যান সেতু পরিদর্শনে এলেও সেতুর কাজ কেউ সম্পূর্ণ করেননি। শুধু পরিদর্শন করে আশ্বাসই দিয়েছেন। এবারেও যাতে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে শহরবাসীর তরফে সেই আবেদন রাখা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *