Faux Beginning-Dying Certificates | মোটা টাকায় জন্মের জাল শংসাপত্র তৈরির রমরমা কারবার, পুলিশের হানা আরও এক নতুন ঠিকানায়   

Faux Beginning-Dying Certificates | মোটা টাকায় জন্মের জাল শংসাপত্র তৈরির রমরমা কারবার, পুলিশের হানা আরও এক নতুন ঠিকানায়   

শিক্ষা
Spread the love


ফাঁসিদেওয়া: এসআইআর নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এরইমধ্যে জাল জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র তৈরির আরেক নতুন ঠিকানার হদিশ পেল পুলিশ। মোটা টাকার বিনিময়ে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগর পাইকপাড়ায় তৈরি হচ্ছিল এই শংসাপত্র। ছোট্ট শাটার লাগানো প্রায় ৮ ফুট বাই ৫ ফুট মাপের একটি ভাড়ায় নেওয়া অনলাইন পরিষেবার দোকানে চলছিল এই অবৈধ কারবার। বুধবার খড়িবাড়ি এবং ফাঁসিদেওয়া থানার বিধাননগর তদন্ত কেন্দ্র ওই দোকানে অভিযান চালাতেই এই তথ্য সামনে এসেছে।

বালুরঘাটের হিলি থেকে সুব্রত ঘোষ ওরফে লিটন বিধাননগরে বছর কয়েক আগে আসে। স্থানীয় শান্তিপাড়ায় থাকতে শুরু করে। প্রথমে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করত সে। এরপর পাইকপাড়ায় দোকানটি ভাড়া নিয়ে অনলাইন নানা পরিষেবা দেওয়ার কাজ শুরু করে বছর চারেক আগে। লিটনের উপস্থিতিতেই দোকানে থাকা ৩টি কম্পিউটার থেকে বেশকিছু জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র উদ্ধার করে পুলিশ। দোকানে রেটিনা স্ক্যানার, আধার তৈরির জন্য ব্যবহৃত বায়োমেট্রিক মেশিনও ছিল।

খবর পেয়ে এসডিপিও (নকশালবাড়ি) সৈকত ভদ্র, ফাঁসিদেওয়ার ওসি চিরঞ্জিৎ ঘোষ, বিধাননগর তদন্ত কেন্দ্রের ওসি প্রীতম লামা উপস্থিত হন। এদিন রাত পর্যন্ত দীর্ঘ কয়েকঘণ্টা ওই দোকানে তল্লাশি অভিযান চলে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে লিটন জানিয়েছে, সে কখনও ৫ হাজার আবার কখনও ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে এই জাল জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র তৈরি করে দিত। দোকানের কম্পিউটারগুলি থেকে শংসাপত্র ছাড়াও আরও বেশকিছু সম্পাদনাযোগ্য ফাইলও পেয়েছে পুলিশ।

খড়িবাড়িতে এই একই কায়দায় কারবার চালানোর অভিযোগে ৪ জন আগেই গ্রেপ্তার হয়েছে৷ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই বিধাননগরের এই ঠিকানা পায় পুলিশ। সেইমতো এদিন সন্দেহের তালিকায় থাকা লিটনের দোকানে হানা দেয় পুলিশ। অবশেষে কয়েকঘণ্টার তল্লাশি শেষে জাল জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র পায় পুলিশ। ইতিমধ্যেই, সেই শংসাপত্র বাজেয়াপ্ত করছে পুলিশ। সেইসঙ্গে দোকানে থাকা সমস্ত কম্পিউটার এবং হার্ডডিস্ক বাজেয়াপ্ত করছে পুলিশ। এদিন গভীর রাতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে, ঘটনায় সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করছে৷

বৃহস্পতিবার ধৃতকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পাঠানো হবে। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্থানীয় আরও বেশ কয়েকজনের নাম জানিয়েছে। তাদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। সেইসঙ্গে এই কারবার আসলে কীভাবে চালাচ্ছিল এই যুবক তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ফাঁসিদেওয়ার ওসি চিরঞ্জিৎ ঘোষ মন্তব্য করেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র সহ কম্পিউটার, প্রিন্টার মিলিয়ে ৪০টি জিনিস বাজেয়াপ্ত হয়েছে। খবর লেখা পর্যন্ত ওই দোকানে তল্লাশি চলছে৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *