ফালাকাটা: অবশেষে ফালাকাটার লছমনডাবরি গ্রামের নিখোঁজ পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant employee)দেহ উদ্ধার হল ওডিশায় (Odisha)। গত ১২ অক্টোবর কেরল থেকে ট্রেনে বাড়িতে ফিরছিলেন হাঞ্জলা ফিরদৌস নামে ওই শ্রমিক। ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যা অবধি তাঁর সঙ্গে পরিবারের ফোনে কথা হয়। তারপর থেকেই ওই শ্রমিকের মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে ১৪ বা ১৫ তারিখ তাঁর বাড়িতে ফেরার কথা। কিন্তু কোনো হদিস না মেলায় পরিবারের তরফে বাধ্য হয়ে ১৫ অক্টোবর নিউ ময়নাগুড়ি জিআরপিতে অপহরণের অভিযোগ করা হয়। ফালাকাটা থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গোটা গ্রাম। এদিকে সম্প্রতি ওডিশার বালেশ্বরে ট্রেন লাইনের ধারে একটি দেহ উদ্বার হয়। এই খবর পেয়ে শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরা ওডিশায় যান৷ কিন্তু পরে দেখা যায় ওই দেহটি পরিযায়ী শ্রমিকের নয়। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওডিশার পুলিশের তরফে ফালাকাটায় থানায় (Falakata Police Station) আরও এক দেহ উদ্ধারের খবর আসে। পুলিশ পরিবারকে জানায়, এই দেহর সঙ্গে ভোটার পরিচয় পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স মেলে। যেগুলি হাঞ্জলা ফিরদৌসের নামে। তখন শুক্রবার রাতেই পরিজনরা ফের ওডিশার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। শনিবার তাঁরা দেহ শনাক্ত করেন। এই খবর পৌঁছোতেই লছমনডাবরি গ্রামে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে ওই শ্রমিককে পরিকল্পিতভাবে খুনের অভিযোগ তোলা হয়। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক বলেই তাঁকে কোনওভাবে হেনস্থা করে খুন করা হতে পারে। তাই গোটা ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি তুলেছেন পরিজনরা৷ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওডিশার গ্যাঞ্জাম স্টেশন থেকে আড়াই কিমি দূরে এক নদীর ধারে জঙ্গল এলাকায় দেহটি উদ্ধার হয়। রবিবার সেই দেহ ফালাকাটায় পৌঁছোবো।
