Election Fee to determine on TMC image row quickly

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


তৃণমূলের প্রতীক কার? এই কঠিন প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর সম্ভবত নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচনের আগেই বলা ভালো বৃহস্পতিবারই মিলবে। ফের দুই যুযুধান শিবির অর্থাৎ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূল এবং মমতা তৃণমূলের কালীঘাট তৃণমূলকে তলব করেছে কমিশন। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পরই সম্ভবত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে কমিশন। তবে সেটা বৃহস্পতিবারই দেওয়া হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টের সময় ঋতব্রত শিবির এবং বিকেল ৪টের সময় মমতা তৃণমূলের প্রতিনিধিদের তলব করা হয়েছে। দুই শিবিরের কাছ থেকেই কিছু নথি এবং তাঁদের চূড়ান্ত যুক্তি শুনতে চায় কমিশন। সূত্রের খবর ‘আসল’ তৃণমূলের পাঁচ প্রতিনিধি হিসাবে কমিশনে যাবেন অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামান এবং আইনজীবী আমন ঝাঁ। কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে থাকবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। শনিবার কালীঘাট এবং ঋতব্রত দুই তৃণমূলের বক্তব্যই শুনেছে কমিশন। কিন্তু এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। শনিবার দুই শিবিরের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠকের পর ঋতব্রত শিবিরকে নিজেদের বক্তব্যের স্বপক্ষে কিছু নথি জমা দিতে বলেন জ্ঞানেশ কুমাররা। সেই নথির ভিত্তিতেই লক্ষ্মীবার ফের তাঁদের তলব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

এখন প্রশ্ন হল, কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে? এই মুহূর্তে চার রকম সম্ভাবনার কথা বলছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রথম সম্ভাবনা, প্রতীক এবং দলের নাম দেওয়া হল কালীঘাট তৃণমূলকে। সেক্ষেত্রে উপনির্বাচন এবং আগামী দিনের নির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীকে লড়বেন মমতার প্রার্থীরা। দ্বিতীয় সম্ভাবনা, প্রতীক দেওয়া হল ঋত শিবিরকে। সেক্ষেত্রে মমতা তৃণমূলকে অন্য প্রতীক খুঁজে উপনির্বাচনে লড়তে হবে। সূত্রের দাবি, কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই বিকল্প প্রতীক হিসাবে অন্য একটি ফুলের কথা ভেবে রেখেছে। এই দুই ক্ষেত্রেই যে শিবির প্রতীক পাবে না, তারা সুপ্রিম কোর্টে যাবে। অর্থাৎ প্রতীক ভবিষ্যৎ ঝুলে যাবে। তৃতীয় বিকল্প হচ্ছে, কমিশন এখনই কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে ‘স্টেটাস কো’ অর্থাৎ ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় রাখার নির্দেশ দিল। দুই শিবিরকে আরও নথি জমা দিতে বলা হতে পারে। সেক্ষেত্রেও লাভ মমতা শিবিরের। তাঁরাই জোড়াফুল প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে পারবে।

তবে চতুর্থ এবং সবচেয়ে উজ্জ্বল যে সম্ভাবনা সেটা হল অন্তর্বর্তী নির্দেশে ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীকটিই ফ্রিজ করে দেওয়া। সেক্ষেত্রে কোনও শিবিরই প্রতীক পাবে না। দুই শিবিরকেই আলাদা দল গড়ে বা ‘নির্দল’ হিসাবে লড়বে। দু’তরফের শুনানি চলবে। দীর্ঘ শুনানির পর একেবারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। কমিশন সূত্র বলছে, এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে প্রবল।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *