Dudhia Bridge | বর্ষার মুখে দুধিয়ায় ভোগান্তির আশঙ্কা, মাঝনদীতে থমকে স্থায়ী সেতুর কাজ

Dudhia Bridge | বর্ষার মুখে দুধিয়ায় ভোগান্তির আশঙ্কা, মাঝনদীতে থমকে স্থায়ী সেতুর কাজ

ব্লগ/BLOG
Spread the love


রণজিৎ ঘোষ, দুধিয়া: বর্ষায় ফের বন্ধ হবে রাস্তা! আশঙ্কায় দুধিয়ার বাসিন্দারা (Dudhia Bridge)। গত বছরের ৪ অক্টোবরের রাতের বৃষ্টির জেরে বালাসন নদী পারাপারের জন্য লোহার সেতু ভেঙে যাওয়ার পর যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, এবারও বর্ষায় জলের স্রোতে অস্থায়ী সেতু ভেসে গেলে সেই একই সমস্যায় পড়তে হবে কি না, সেই আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে, নতুন স্থায়ী সেতু তৈরির কাজে বারবার বাধা আসায়, বর্ষার আগে সেতুর কাজ শেষ করা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। সেতুর বরাতপ্রাপ্ত সংস্থা সূত্রে খবর, জল থাকায় মাঝনদীতে পিলার তৈরিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। জল না কমলে পিলার তৈরি সম্ভব নয়।

পূর্ত দপ্তরের দার্জিলিং হাইওয়ে ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার আনন্দময় মণ্ডল বলেছেন, ‘অক্টোবর-নভেম্বর মাসের আগে নদীর জল কমার সম্ভাবনা নেই। জল না কমলে নদীতে কংক্রিটের পিলার তৈরির কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বর্ষার পরেই ওই কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

এদিকে, স্থানীয়রা চাইছেন যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী সেতুর কাজ শেষ করা হোক। সেন্ট মেরি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান সন্তোষ তামাংয়ের বক্তব্য, ‘এই ব্রিজের নির্মাণকাজ যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক এটাই চাই। সামনেই বর্ষা আসছে। আবার যদি নদীতে জল বেড়ে অস্থায়ী সেতু ভেঙে যায় তাহলে ফের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে। বহু মানুষের রুজিরুটির সমস্যা হবে।’

দুধিয়া সেতুর কাছেই মোমোর দোকান রয়েছে রুমেল থাপার। নতুন সেতু তৈরির কাজে বিলম্ব হওয়ায় আশঙ্কায় রয়েছেন তিনি। রুমেল বললেন, ‘গত বছর সেতু ভেঙে যাওয়ায় দু’মাস ব্যবসা বন্ধ রাখতে হয়েছিল। এবার বর্যার সময় যদি অস্থায়ী সেতু ভেসে যায়, তাহলে ফের একই অবস্থা হবে। আবার ব্যবসা বন্ধ হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।’

গত বছর দুধিয়া সেতু ভেঙে যাওয়ায় মিরিকের সঙ্গে দুধিয়া হয়ে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে পূর্ত দপ্তর জরুরি ভিত্তিতে নদীতে অস্থায়ী হিউমপাইপের সেতু তৈরি করে যোগোযোগ সচল করে। আপাতত সেই রাস্তা দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। অন্যদিকে, ২০২৪ সাল থেকে ভাঙা লোহার সেতুর পাশে স্থায়ী সেতু তৈরির জন্য কংক্রিটের পিলার তৈরির কাজ চলছে। তবে সেই কাজ করতে গিয়ে একাধিকবার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বরাতপ্রাপ্ত এজেন্সিকে। পিলার তৈরির জন্য গর্ত করতে গিয়ে নীচে বড় বড় বোল্ডারে বাধা পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। এদিকে, মাটির নীচে ডিনামাইট ব্লাস্ট করার অনুমতি না মেলায় একটু একটু করে পাথর ভেঙেই এগোতে হচ্ছে এজেন্সিকে। এতে সেতুর পিলার তৈরিতে অধিক সময় লাগছে।

শুক্রবার এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে, দুটি পিলারের কাজ সম্পূর্ণ করে সেটির ওপরে স্টিলের সেতু তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। কিন্তু মাঝনদীতে জল থাকায় সেখানে পিলার তৈরিতে সমস্যায় পড়েছে বরাতপ্রাপ্ত এজেন্সি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *