উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : আটলান্টিক মহাসাগরের নাম বদলে নিজের কিংবা আমেরিকার নামে রাখার পরিকল্পনা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! তবে গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের যুক্তিপূর্ণ পরামর্শের কারণে শেষ পর্যন্ত সেই অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। সাউথ ক্যারোলাইনার এক প্রচার সভায় ট্রাম্প নিজেই সুন্দর পিচাইয়ের সঙ্গে হওয়া এই কথোপকথনের কথা প্রকাশ করেছেন। তবে সুন্দর পিচাই ও গুগলের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
র্যালিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, আটলান্টিক বা প্রশান্ত মহাসাগরের নাম বদলে ‘ট্রাম্প ওশান’ বা ‘আমেরিকা ওশান’ রাখার ইচ্ছে নিয়ে তিনি টেক জায়ান্ট গুগলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সুন্দর পিচাইকে ‘অত্যন্ত মেধাবী’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি সুন্দরের সঙ্গে কথা বলেছিলাম, যে পুরো গুগল পরিচালনা করে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা আটলান্টিক মহাসাগরের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সামলাতে পারবে কি না। কিন্তু সুন্দর আমাকে সোজাসুজি জানায় – ‘না, না, না স্যর! এবার আমি এটা করতে পারছি না।” ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, পিচাই তাঁকে বুঝিয়ে বলেন, অন্যান্য জলভাগের চেয়ে মহাসাগর সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ এটি একাধিক দেশের সীমানাজুড়ে বিস্তৃত। সুন্দর পিচাইয়ের এই যৌক্তিক বার্তার পর সভা থেকে ট্রাম্প অনুগামীদের প্রশ্ন করেন, “তাহলে কি প্রস্তাবটা বাদ দেব? আমার মনে হয় আটলান্টিক মহাসাগর নামটাই রেখে দেওয়া যাক, কী বলেন?”
উল্লেখ্য, এর আগে মেক্সিকো উপসাগরের নাম বদলে ‘মেক্সিকো আমেরিকা উপসাগর’ এবং ২০২৬ সালের অগাস্টে অনটারিও হ্রদের নাম ‘লেক আমেরিকা’ রেখেছিলেন ট্রাম্প, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে চর্চা শুরু হয়েছিল।

