Disha Salian Demise Case | দিশা সালিয়ান মৃত্যু মামলায় নাম জড়াল আদিত্য ঠাকরে-রিয়া চক্রবর্তীর! সিবিআইয়ের নজরে আরও একাধিক ‘হেভিওয়েট’

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ম্যানেজার দিশা সালিয়ান মৃত্যু রহস্যের (Disha Salian Demise Case) পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই (CBI)। বম্বে হাইকোর্টের (Bombay Excessive Courtroom) নির্দেশের পর সিবিআইয়ের তরফে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। আর সেই এফআইআরে নাম রয়েছে শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা আদিত্য ঠাকরে (Aaditya Thackeray) এবং তাঁর বাবা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের। একই সঙ্গে মামলাটির তদন্তের পরিধিতে রাখা হয়েছে বলিউড অভিনেতা দিনো মোরিয়া, সুরজ পাঞ্চোলি এবং রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর ভাই শৌভিক চক্রবর্তীকে।

২০২০ সালের ৮ জুন মুম্বইয়ের একটি বহুতল থেকে পড়ে মৃত্যু হয় দিশা সালিয়ানের। ঠিক এর কিছুদিন পরেই, ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ। শুরুতে দিশার মৃত্যুকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিভুক্ত করা হলেও, তাঁর পরিবার প্রথম থেকেই হত্যার অভিযোগ তুলেছিল। সম্প্রতি বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই ঘটনায় কেবল ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’র মামলা রুজু হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে এবং পাঁচ বছর ধরে পরিবারের হাতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও নথি না পৌঁছানোর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

আদালতের নির্দেশের পর দিশার বাবা সতীশ সালিয়ান তদন্তকারীদের কাছে তাঁর সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেন। সিবিআইয়ের এফআইআরে আদিত্য ও রিয়া ছাড়াও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ, মুম্বই পুলিশের দুই প্রাক্তন আধিকারিক পরম বীর সিং ও সচিন ওয়াজে, বেশ কয়েকজন দেহরক্ষী, মালবানি থানার পুলিশ কর্মী, এবং কালিনার ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির চিকিৎসকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তদন্তের এই নতুন মোড়কে স্বাগত জানিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের বোন শ্বেতা সিং কীর্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও প্রকাশ করে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে এই আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও জনমানসে আলোচনায় থাকা এই চাঞ্চল্যকর মামলার জট এবার সিবিআইয়ের হাত ধরে খোলে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *