Diabetes Management | ডায়াবিটিসেও পাতে থাকুক ফল! রইল সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ কিছু নিয়ম

Diabetes Management | ডায়াবিটিসেও পাতে থাকুক ফল! রইল সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ কিছু নিয়ম

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়াবিটিস মানেই কি ফলের ঝুড়ি থেকে আজীবন নির্বাসন? সাধারণ মানুষের মনে এই ধারণা বদ্ধমূল থাকলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে অন্য কথা। ফলের প্রাকৃতিক মিষ্টি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সঠিক ফল নির্বাচন এবং কিছু নিয়ম মেনে চললে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে না, বরং শরীর পায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি। চিকিৎসকদের মতে, খাদ্যতালিকা থেকে ফল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ ফলের ফাইবার ও ভিটামিন শরীরকে সতেজ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে (Diabetes Management)।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডায়াবিটিস রোগীরা পাতে রাখতে পারেন শসা, পেয়ারা, নাশপাতি, আপেল, কিউয়ি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, কমলালেবু, কুল, জাম, জামরুল এবং শাঁকালুর মতো ফল। তবে এই ফলগুলো খাওয়ার ক্ষেত্রে সময় ও পরিমাণের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। ফল খাওয়ার আদর্শ সময় হল সকালের জলখাবারের অন্তত দুই ঘণ্টা পর। ধরা যাক, কেউ যদি সকাল ৯টা নাগাদ জলখাবার খান, তবে তিনি বেলা ১১টা নাগাদ ফল খেতে পারেন। এরপর দুপুর দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে মধ্যাহ্নভোজ সেরে ফেলা প্রয়োজন। খালি পেটে বা ভারী খাবারের সঙ্গে ফল না খাওয়াই ভালো।

পরিমাণের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা একটি নির্দিষ্ট মাপকাঠির কথা বলেছেন। একজন রোগী দিনে সব মিলিয়ে মোট ২০০ গ্রাম পর্যন্ত ফল খেতে পারেন। তবে কেবল একটি ফল না খেয়ে বেশ কয়েকটি ফল মিলিয়ে মিশিয়ে খাওয়া বেশি ফলদায়ক। এতে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে পৌঁছায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ফলের রস বা জুস না খেয়ে সবসময় চিবিয়ে গোটা ফল খাওয়া উচিত। ফলের রসে ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সঠিক নিয়ম ও পরিমিতিবোধ বজায় রাখলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেও ফলের স্বাদ ও পুষ্টি নিশ্চিন্তে উপভোগ করা সম্ভব। সুস্থ থাকতে আজই আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এই ছোট কিন্তু কার্যকর পরিবর্তনগুলো নিয়ে আসতে পারেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *