Debraj Chakraborty | ‘প্লিজ, ডিম মারবেন না!’ পুলিশের কড়া ব্যুহ ভেদ করতে পারল না বিক্ষোভকারীরা, রক্ষা পেলেন দেবরাজ

Debraj Chakraborty | ‘প্লিজ, ডিম মারবেন না!’ পুলিশের কড়া ব্যুহ ভেদ করতে পারল না বিক্ষোভকারীরা, রক্ষা পেলেন দেবরাজ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বারাসত আদালতে (Barasat Courtroom) প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীকে (Debraj Chakraborty) পেশ করার সময় ঘটল চরম উত্তেজনা। বৃহস্পতিবার তাঁকে লক্ষ্য করে ‘ডিম থেরাপি’র (Egg Remedy) হিড়িক লক্ষ্য করা যায়। আদালত চত্বরে আগে থেকেই ডিম নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের (Police) গাড়ির থেকে নামানোর পরই দেবরাজকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। তবে পুলিশের তৎপরতায় ডিমগুলো সরাসরি তাঁর গায়ে না লেগে পুলিশি গাড়িতেই গিয়ে পড়ে। এই উত্তেজনার মাঝেই মাথায় টুপি গলিয়ে দ্রুত আদালতের ভেতরে ঢুকে যান অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বারাসত আদালত চত্বরে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ডিম হাতে থাকা এক মহিলা দাবি করেন, তিনি ২০২১ সালে উত্তর দমদম বিধানসভার তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের প্রাক্তন কর্মী ছিলেন। তিনি রগড় করে বলেন, “দেবরাজ অনেকের টাকা চুষে খেয়েছে, তাই শালবনী থেকে সস্তায় ডিম কিনে এনেছি।” পুলিশের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে যখন ডিম ছোড়া হচ্ছিল, তখন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এক পুলিশকর্মীকে উদ্দেশ্য করে ওই মহিলা প্রশ্ন তোলেন, “একজন চোরকে কেন এত সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে?”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ধৃত তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে ‘ডিম থেরাপি’র প্রবণতা বেড়েছে। এই ধরনের ঘটনা রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চ এই বিষয়ে কড়া মনোভাব দেখিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে বারাসত আদালতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। পুলিশের কঠোর নজরদারিতে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হলেও, আদালত চত্বরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে শোরগোল পড়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *