ডালখোলা: দূরপাল্লার ট্রেনগুলি দাঁড়ায় বটে, ওই ট্রেনগুলির সওয়ারি হয়ে গন্তব্যে পৌঁছান হাজার হাজার যাত্রী। কিন্তু বিভিন্ন ট্রেনের কোচগুলির অবস্থান সম্পর্কে আগাম কোনও ধারণাই থাকে না যাত্রীদের। ফলে ট্রেনগুলি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানোর আগেই যাত্রীদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় দৌড়ঝাপ। লটবহর নিয়ে এমন সমস্যায় পড়তে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ডালখোলা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মগুলিতে কোচ ডিসপ্লে বোর্ডের দাবি তুলছিলেন যাত্রীরা। তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে শীঘ্রই, এমনই আশ্বাস দিলেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার চেতনকুমার শ্রীবাস্তব। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে ডালখোলা স্টেশনের পুনর্গঠনের কাজ চলছে। কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার ডালখোলা স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শন করেন সামসী স্টেশনও।
অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে গড়ে তোলা হচ্ছে ডালখোলা স্টেশন। দ্রুত কাজ শেষ করতে চাইছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। যে কারণে এদিন সামসী স্টেশন পরিদর্শনের পর ডালখোলা স্টেশনে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজারের আসা। এদিন কাজের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি। তাঁর কাছে স্টেশনের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন তাঁরা। যার মধ্যে রয়েছে প্ল্যাটফর্মে কোচ ডিসপ্লে বোর্ড না থাকার বিষয়টি। সেই সময়ই দ্রুত এই সমস্যা দূর হবে বলে আশ্বাস দেন জেনারেল ম্যানেজার। বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপ, স্টেশনের রেকপয়েন্টে ঢোকার বেহাল রাস্তা মেরামত, যাত্রীদের জন্য অত্যাধুনিক শৌচালয় সহ বেশ কিছু দাবি তোলা হয় জেনারেল ম্যানেজারের কাছে। পরে চেতনকুমার শ্রীবাস্তব সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘ডালখোলা স্টেশনে চলা উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি কী কী সমস্যা রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শুনেছি। ডালখোলায় কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপের দাবি রয়েছে তাঁদের। তা পর্যালোচনা করে দেখা হবে। স্টেশনে খুব শীঘ্রই ট্রেনের কোচ ডিসপ্লে বোর্ড বসানো হবে।’
