Crude oil value | যুদ্ধবিরতির আঁচ মিলতেই স্বস্তি আন্তর্জাতিক বাজারে! অশোধিত তেলের দাম নিম্নমুখী

Crude oil value | যুদ্ধবিরতির আঁচ মিলতেই স্বস্তি আন্তর্জাতিক বাজারে! অশোধিত তেলের দাম নিম্নমুখী

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আমেরিকা-ইরান (Iran-US) যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরুর সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে (Crude oil value) বড়সড়ো স্বস্তি ফিরেছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি প্রিমিয়াম অনেকটাই কমে যাওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ থেকে প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে এখনও কয়েক মাস, এমনকি এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সূত্রের খবর, সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪.১০ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৩.৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে  ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দামও কমেছে ৪.৭২ শতাংশ। বাজার বিশ্লেষক সংস্থা ক্রিসিল ইন্টেলিজেন্স-এর ডিরেক্টর সেহুল ভাটের মতে, এই দাম হ্রাস মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমাতে এবং ভারতের মতো জ্বালানি আমদানিকারক দেশের খরচ কমাতে সহায়ক হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, স্বল্পমেয়াদী শান্তিচুক্তি ঘিরে অনিশ্চয়তা জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা বজায় রাখতে পারে।

অন্যদিকে, আইসিআরএ লিমিটেড-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রশান্ত বশিষ্ঠের মতে, যুদ্ধ-পূর্ববর্তী তেলের দামে ফিরতে ছ’মাস থেকে এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। তিনি জানান, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তেল পরিকাঠামোর যে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামতি সময়সাপেক্ষ। তবে ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে তা ভারতের জন্য বড় ইতিবাচক দিক হতে পারে।

একুইরাস সিকিউরিটিজ-এর গবেষণা প্রধান মৌলিক পটেল মনে করছেন, দামের এই পতন মূলত ‘মনোভাব-নির্ভর’। সরবরাহ চেইন ও মজুত ভাণ্ডারের যা বর্তমান অবস্থা, তাতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম খুব দ্রুত ৬৫ ডলারে ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাঁর মতে, স্বল্পমেয়াদে ক্রুড ৭৫–৮০ ডলারের পরিসরে স্থিতিশীল হতে পারে। এছাড়া এলএনজি-র দামও সংকট-পূর্ববর্তী স্তরে ফিরতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বেশ খানিকটা বেশি থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, যুদ্ধবিরতির খবর স্বস্তিদায়ক হলেও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিকাঠামোগত ক্ষতির প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির ওপর কতদিন থাকবে, তা এখন বড় প্রশ্ন। চিনের মতো বড় আমদানিকারক দেশের ভূমিকাও আগামীদিনে তেলের দামের ওঠানামায় নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতির জন্য জ্বালানির দাম কিছুটা কমলেও, পুরোপুরি ‘স্বাভাবিক’ দিন ফিরতে এখনও অনেকটা দীর্ঘপথ চলা বাকি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *