Bardhaman Uttar Meeting | ভোটে হেরে গণনায় অনিয়মের অভিযোগ! এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বর্ধমান উত্তরের বিজেপি প্রার্থী

Bardhaman Uttar Meeting | ভোটে হেরে গণনায় অনিয়মের অভিযোগ! এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বর্ধমান উত্তরের বিজেপি প্রার্থী

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


বর্ধমান: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির জয়জয়কার ঘটলেও, বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে (Bardhaman Uttar Meeting) পরাজিত হতে হয়েছে পদ্ম-প্রার্থী সঞ্জয় দাসকে। তবে এই পরাজয় সহজে মেনে নিতে নারাজ তিনি। ভোট গণনায় মারাত্মক কারচুপি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তুলে এবার সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এই বিজেপি প্রার্থী। একই ধরণের অনিয়মের অভিযোগ এনে ইতিমধ্যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ভোটে হেরে যুযুধান দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর এভাবে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিশীথ কুমার মালিক ৬ হাজার ৪৬০ ভোটে জয়ী হয়ে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গত ৮ মে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় দাস।

আদালতে পেশ করা আবেদনে গণনা প্রক্রিয়ার একাধিক চাঞ্চল্যকর ত্রুটি ও অনিয়ম তুলে ধরেছেন সঞ্জয় দাস। বিজেপি প্রার্থীর সবচেয়ে বড় দাবি, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত কয়েকজন ব্যক্তি শাসকদল তৃণমূলের পক্ষে গণনা কেন্দ্রে হাজির ছিলেন এবং ভোট গণনায় অংশ নিয়েছিলেন। বিষয়টি জেলা নির্বাচন দপ্তরের নজরে আনা হলেও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি।

গণনা শুরু হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত রাউন্ড ভিত্তিক ফল প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ১১ রাউন্ড গণনা শেষে তিনি লিখিতভাবে পুনর্গণনার (Recounting) আবেদন জানালেও নির্বাচন কমিশন তা খারিজ করে দেয়।

সঞ্জয় বাবুর দাবি, ১২ রাউন্ড শেষে তিনি যখন ৩ থেকে ৪ হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিলেন, তখন ১৩ থেকে ১৬ রাউন্ড পর্যন্ত গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ, ওই শেষ পর্যায়গুলিতে যথাযথ গণনা ছাড়াই তৃণমূল প্রার্থীকে তড়িঘড়ি বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে বিজেপি প্রার্থী জোরালো আবেদন জানিয়েছেন, যদি ১৩ থেকে ১৬ রাউন্ড পর্যন্ত প্রকৃতই গণনা হয়ে থাকে, তবে গণনা কেন্দ্রের সেই সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তা দেখানোর ব্যবস্থা করা হোক। একই সাথে গণনার যাবতীয় নথিপত্র, সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম (EVM) এবং ভিভিপ্যাট (VVPAT) যাতে অবিলম্বে সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করা হয়, আদালত যেন নির্বাচন কমিশনকে সেই নির্দেশ দেয়।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৬ জুন কলকাতা হাইকোর্টে এই বহুচর্চিত মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ের ওপর এই কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ নির্ভর করায় রাজনৈতিক মহলে এখন এই মামলাকে ঘিরে তীব্র কৌতূহল ও চর্চা শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *