শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত সিপিএমের (CPIM) কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেলেন সমন পাঠক। একসময় দার্জিলিং থেকে সিপিএমের সাংসদ আনন্দ পাঠকের ছেলে সমন আগে রাজ্য সভার সাংসদ ছিলেন। তার পর অবশ্য দার্জিলিং থেকে সিপিএমের আর কেউ সাংসদ হননি। বরং পাহাড়ে জাতিভিত্তিক রাজনীতির ধাক্কায় ক্রমশ ক্ষয়ীষ্ণু হতে হতে প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে একসময়ের দাপুটে সিপিএম।
তবে চা শ্রমিকদের হয়ে লড়াইয়ে পরিচিত মুখ সমন পাঠক। ২০২১ সাল থেকে তিনি সিপিএমের দার্জিলিং জেলা সম্পাদক পদে রয়েছেন। পাশাপাশি শ্রমিক নেতা হিসাবেও পাহাড়-সমতলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
বয়সে অপেক্ষাকৃত তরুণ মৃদুভাষী নেতা হিসেবে সমনের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি গোর্খা সম্প্রদায়ভুক্ত। ফলে সংগঠনের সামনের সারিতে সমনকে তুলে এনে সিপিএম একদিকে যেমন চা বলয়কে বার্তা দিতে চাইছে, অন্যদিকে পাহাড়ে গোর্খা সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবেও সমনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি আলাদা বার্তা বহন করে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
এদিন মাদুরাইয়ে (Madurai) পার্টি কংগ্রেসে থাকা সমনকে টেলিফোনে ধরা হলে তিনি বলেন, ‘দল আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। কেন্দ্রীয়স্তরে উত্তরবঙ্গের মানুষের সুবিধা ও অসুবিধার কথা তুলে ধরতে পারবো। দলের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ সমন কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পাওয়ায় খুশি উত্তরের সিপিএমও। বর্তমানে পার্টি কংগ্রেসে যোগ দিয়ে মাদুরাইতেই রয়েছেন সিপিএম নেতা জীবেশ সরকার। তাঁর কথায়, ‘বহু বছর পর উত্তরবঙ্গ থেকে কেউ কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেল। সমন একজন যোগ্য সংগঠক।’
