Could also be there’s a massacre in Republican celebration after shedding in Midterm election

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে এভাবে মুখ থুবড়ে পড়তে হবে রিপাবলিকানদের, তা সত্যিই কি ভাবতে পেরেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? মসনদে প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। বিতর্ক ছিল প্রথম পর্বেও। কিন্তু সব মিলিয়ে এতটা বেকায়দায় কখনওই পড়েননি তিনি। ৮০ বছর বয়সি রিপাবলিকান নেতা যে কেবল নিজেই বেকায়দায় পড়েছেন তা নয়, এহেন ফলাফলে রিপাবলিকানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন উঠে গিয়েছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের রায় ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্যই বদলে দিয়েছে। এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের অবশিষ্ট দুই বছর, রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ এবং তাঁর উত্তরসূরি কে হতে পারেন— এমন নানা বিষয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, ফলাফল পরিষ্কার হতেই প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের মধ্যে বিভাজনরেখা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ট্রাম্প এবং জেডি ভ্যান্স, দু’জনই নির্বাচনের ফলাফলের নেপথ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তবে ট্রাম্প যেমন যুদ্ধের পক্ষেই সাফাই গেয়ে বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি আবারও একই কাজ করতেন, সেখানে ভ্যান্স এই সামরিক অভিযান শুরুর যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। ভ্যান্স রিপাবলিকানদের ভরাডুবির মূল কারণগুলো নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর মতে, ইরান যুদ্ধই কেবল নয়, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি কার্যকর করতে না পারাও ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি ইজরায়েলের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি। তবে তিনি যে সেই প্রশাসেনরই অংশ ছিলেন, তাও অস্বীকার করেননি ভ্যান্স। জানিয়েছেন, ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত দেশের ভেতরেই বুমেরাং হয়ে ফিরে এসেছে।

আরও পড়ুন:

মধ্যবর্তী নির্বাচনের রায় ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্যই বদলে দিয়েছে। এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের অবশিষ্ট দুই বছর, রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ এবং তাঁর উত্তরসূরি কে হতে পারেন— এমন নানা বিষয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এদিকে টেক্সাসের সেনেটর টেড ক্রুজও পরাজয়ের কাটাছেঁড়া করেছেন। জানিয়েছেন, সমর্থকরা ভোট না দিয়ে বাড়িতেই থেকেছেন বলে রিপাবলিকানরা হেরেছে তা নয়। বরং আগে যাঁরা রিপাবলিকানদের সমর্থক ছিলেন, তাঁরা ডেমোক্র্যাট হয়ে গিয়েছেন। ইরান যুদ্ধ, নিত্যদিনের খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্নীতি এবং ‘শুল্কযুদ্ধ’কেও তিনি হারের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

সব মিলিয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যে এখন ক্ষোভের ‘বন্যা’ বইতে শুরু করেছে। এবং প্রায় সকলেই পরাজয়ের দায় ঠেলে দিয়ে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বলে রাখা ভালো, যেহেতু কংগ্রেসের দখল নিয়ে ফেলেছে ডেমোক্র্যাটরা, তাই আইন প্রণয়ন ও তদন্তের ক্ষেত্রে আরও বেশি ক্ষমতা প্রয়োগ করবে তারাই। ফলে রিপাবলিকানদের ঘুরে দাঁড়ানো খুবই কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন তাদের কাছে দলের পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জটা খুব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ সামলে উঠতে না পারলে আগামিদিনে যে ডেমোক্র্যাটদের চাপে ফেলাটা কঠিন হতে যাচ্ছে তা ভালোই বুঝছে ট্রাম্প শিবির। খাতায় কলমে এখনও বছর দুয়েক মসনদে থাকতে পারবেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই সময়কাল যে তাঁকে কাটাতে হবে ‘রাজা’ সেজে, ‘রাজা’ হয়ে নয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *