Cooch Behar | ১১ জন বাংলাদেশির ‘দেশ’ নয়, ঠাঁই হল হাজতে

Cooch Behar | ১১ জন বাংলাদেশির ‘দেশ’ নয়, ঠাঁই হল হাজতে

শিক্ষা
Spread the love


কোচবিহার: বাংলাদেশে ফেরত যেতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়া ১১ জন বাংলাদেশির ঠাঁই হল সংশোধনাগারে। বৃহস্পতিবার কোচবিহার আদালত ৮ জন বাংলাদেশিকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেছে। এই ১১ জনের মধ্যে তিনজন শিশুও ছিল। তারা সংশোধনাগারে তাদের মায়ের সঙ্গেই থাকবে।

‘আমাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠান’ এমন আজব দাবি তুলে চলতি বছরের ৫ জুন হঠাৎ কোতোয়ালি থানায় হাজির হয়েছিল ১১ জন বাংলাদেশি। থানায় আত্মসমর্পণের পর তারা জানায়, অবৈধভাবে তারা ভারতে প্রবেশ করেছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তারা শ্রমিকের কাজ করত বলেও আত্মসমর্পণের পর তারা জানিয়েছিল।

দেশজুড়ে বাংলাদেশিদের ধরপাকড় শুরু হতেই তারা নিজের দেশে ফিরতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়। তবে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অপরাধে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার আদালত তাদের সাজা ঘোষণা করে। এই মামলার সরকারি কৌঁসুলি শিবেন রায় বলেছেন, ‘ওই বাংলাদেশি নাগরিকরা মেখলিগঞ্জ ও সাহেবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল। কোতোয়ালি থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছিল। বিদেশি আইনের অধীনে ধৃতদের সাজা দেওয়া হয়েছে।’

আদালত এবং পুলিশ সূত্রের খবর, সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা বাংলাদেশের  কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে কাঁটাতার ডিঙিয়ে তারা এদেশে প্রবেশ করেছিল। মাসকয়েক আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশিদের ‘পুশব্যাক’-এর খবর ছড়িয়ে পড়তেই হরিয়ানা থেকে ওই বাংলাদেশিরা কোচবিহারে হাজির হয়।  তারা হরিয়ানার একটি ইটভাটায় কাজ করত বলে জানা গিয়েছে। নিউ কোচবিহার রেলস্টেশনে নামার পর তারা প্রথমে দিনহাটা থানা ও পরে কোতোয়ালি থানায় পৌঁছায়। কোতোয়ালি থানায় আত্মসমপর্ণের পর তারা পুলিশকে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানায়।

বৃহস্পতিবার ধৃতদের কোচবিহার আদালতের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (তৃতীয় কোর্ট) রুদ্রপ্রসাদ রায়ের এজলাসে পেশ করা হয়। বিচারক মজিদুল ইসলাম, মৌসম রানা, জাহিদুল ইসলাম, নয়ন ইসলাম, মহম্মদ কপিল হক, রেখা বিবি, কোহিনুর বেগম এবং জিনা বেগমকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। ধৃতদের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধৃতদের সঙ্গে তিনজন শিশু ছিল। তারা সংশোধনাগারে মায়ের সঙ্গেই থাকবে। তাদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করবে জেল কর্তৃপক্ষ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *