জনপ্রিয় অভিনেতা, কমেডিয়ান, ইউটিউবার বীর দাস একাধিকবার অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের বিরাগভাজন হয়েছেন। ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের মনোভাব পোষণ করেন। সাম্প্রতিক অতীতে বীরের পারফরম্যান্সে উঠে এসেছে রাজনীতি, ধর্ম, সংস্কৃতি ও জাতীয়তাবাদের কথা। এমনকী, মহিলাদের উপর ধর্ষণ, নির্যাতনের মতো ঘটনাও শোনাও গিয়েছে তাঁর বক্তব্য়ে। দ্বিখন্ডিত ভারতের নাগরিক সম্বোধন করে নিজেই কারণ বাতলে বলেছিলেন, ‘আমি এমন এক দেশের নাগরিক যেখানে দিনের বেলা মেয়েদের পুজো দেওয়া হয় আর রাতে গণধর্ষণ।’ এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করেছিলেন বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ‘অপরাধী’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন কঙ্গনা। কিন্তু, জানেন এক সময় এই বীর দাসই কঙ্গনার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন।
শুধু তাই নয়, সহ অভিনেতার ঠোঁট এমনভাবে কামড়ে ধরেছিলেন যে একেবারে রক্তারক্তি কাণ্ড!প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রিভলবার রানি’তে কমেডিয়ান বীর দাসের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন কঙ্গনা। সেখানে ছিল একটি ঘনিষ্ঠ চুম্বনের দৃশ্য। সিনেমা মুক্তির কয়েক বছর পর এক বিশিষ্ট সাংবাদিক সেই দৃশ্য নিয়ে এমন এক দাবি করেন যা স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। সংশ্লিষ্ট সংবাদিকের বক্তব্য, পরিচালক ‘কাট’ বলার পরও বীরের ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরাননি বলিউডের ‘ক্যুইন’।
আরও পড়ুন:

এতটাই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলেন যে ফলস্বরুপ বীরের ঠোঁট কেটে রক্তক্ষরণ হয়। সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হয়েছিলেন সেই নামজাদা সাংবাদিক। তিনি জানান, বীরকে যখন তাঁর পডকাস্টে এনেছিলেন তখন মনে হচ্ছিল কেঁদে ফেলবে। সেই আতঙ্ক যেন ওকে তাড়া করছিল।” নতুন করে বিষয়টি নিয়ে কাটাছেঁড়া হলেও, কঙ্গনার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তবে তবে ২০২৩ সালে কঙ্গনা ইনস্টা স্টোরিতে এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানাতে হৃতিক রোশনের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন। হেঁয়ালি করে লিখেছিলেন, ‘হৃতিক রোশনের পর আমি নাকি বেচারা বীর দাসেরও ইজ্জত লুটে নিয়েছি! এটা আবার কবে হলো?” সম্প্রতি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ ছবিতে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত। ১২ জুন প্রেক্ষাগৃহে ছবি মুক্তির পর দর্শকমনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি। অন্যদিকে অনলাইন শপিং সাইটে ‘অ্যাপেল ওয়াচ’ কিনে মোটা টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছেন কমেডিয়ান বীর।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
