Cooch Behar | ভোটের আগে খেলার মাঠে বিজেপি-তৃণমূল

Cooch Behar | ভোটের আগে খেলার মাঠে বিজেপি-তৃণমূল

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


কোচবিহার: আর মাত্র মাসখানেকের অপেক্ষা। নতুন বছর পড়লেই কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে যাবে আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের। তার আগে খেলাকে হাতিয়ার করে প্রচারে জোয়ার আনতে মাঠে নেমে পড়েছে শাসক এবং বিরোধী, দু’পক্ষই। বৃহস্পতিবার থেকে কোচবিহারে ২৫৪টি দল নিয়ে হেরিটেজ কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু করতে চলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে আবার নরেন্দ্র কাপ মহিলা ফুটবলের আয়োজন করে ফেলেছে বিজেপি-ও। মঙ্গলবার বিধানসভা ভিত্তিক দল নিয়ে তাদের ফুটবল প্রতিযোগিতা হল।

২০২১-এর পর ২০২৬-এ ভোটের ময়দানে আদৌ কতটা ‘খেলা হবে’? আর খেলা হলে কে, কাকে, কত গোল দেবে- তা সময় বলবে। তবে তার আগে বর্ষশেষে খেলার মাঠে জনসংযোগ সারতে নেমে পড়েছে দু’তরফ। নতুন প্রজন্মের মানুষদের আকৃষ্ট করে জনসংযোগ বাড়াতে খেলার বিকল্প যে খুব কমই রয়েছে তা বেশ ভালোভাবেই টের পেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। তাই তৃণমূল ও বিজেপি ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

পাঁচ বছর ধরে কোচবিহারে হেরিটেজ কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কোচবিহার শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ, বাজারের মাঠ ও লিচুতলার মাঠে প্রতিযোগিতা চলবে। এদিকে, এবছরই বিজেপির তরফে নরেন্দ্র কাপ ফুটবল শুরু হয়েছে। কয়েকমাস আগে ছেলেদের টুর্নামেন্ট হয়েছে। মঙ্গলবার মাথাভাঙ্গায় মেয়েদের টুর্নামেন্টও হল। সেখানে বিধানসভা ভিত্তিক পাঁচটি দল অংশ নেয়। তার মধ্যে নাটাবাড়ি বিধানসভা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

একে অন্যের বিরুদ্ধে মাঠে মুখোমুখি না হলেও কর্মসূচির লড়াইয়ে শাসক-বিরোধী দু’দল কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। বিজেপি-র তরফে খেলার আয়োজন করা হচ্ছে শুনে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেছেন, ‘বিজেপি তো শুধু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। এখন তারা খেলাধুলোর আয়োজনও করছে? এটি ভালো উদ্যোগ।’ এদিকে বিজেপির মহিলা মোর্চার জেলা সভানেত্রী অর্পিতা নারায়ণের কথায়, ‘মেয়েদের নিয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। মাথাভাঙ্গায় আয়োজিত খেলায় পাঁচটি দল অংশ নিয়েছে।’

রাজনৈতিক মহলের মতে, যে দল যত বেশি জনসংযোগ করতে পারবে, তত তারা ভোটের রাজনীতিতে এগিয়ে থাকবে। রাজনৈতিক প্রচার, জনসভা, মিটিং-মিছিল তো রয়েছে। নতুন বছরে রীতিমতো ঢাকঢোল পিটিয়ে তার তোড়জোড় চলবে। তার আগে শীতের মরশুমকে কাজে লাগিয়ে জনসংযোগের জন্য নতুন কৌশল নিচ্ছে দলগুলি। তাদের কেউ দিচ্ছে তেকাঠিতে বল রাখার সুযোগ। আবার জনতাকে কেউ সুযোগ করে দিচ্ছে বাউন্ডারি, ওভার বাউন্ডারি হঁাকানোর।

তৃণমূলের কর্মসূচিতে ২৫৪টি দল অংশ নিচ্ছে। অর্থাৎ, একসঙ্গে বহু কমবয়সিকে আকর্ষণের সুযোগ। আবার বিজেপির খেলায় দলের সংখ্যা কম। তবে মেয়েদের খেলার আয়োজন করেছে তারা। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় মহিলাদের মধ্যে জনসংযোগ বাড়াতে এটাই তাদের কৌশল বলে মনে করছেন অনেকে। তবে ভোটের মাঠে শেষ হাসি কে হাসবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *