Cooch Behar | ভেঙেছে দু’দিকের নিরাপত্তা প্রাচীর, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কলেজ

Cooch Behar | ভেঙেছে দু’দিকের নিরাপত্তা প্রাচীর, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কলেজ

শিক্ষা
Spread the love


কোচবিহার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কোচবিহারের এবিএনশীল কলেজ। সম্প্রতি ঝড়ে কলেজের সামনের দিকের সীমানা প্রাচীরের বেশিরভাগ অংশই ভেঙে গিয়েছে। অপরদিকে, কলেজের পেছনে থাকা হস্টেলের সীমানা প্রাচীরও গত কয়েক মাস ধরে একই অবস্থায়। এই পরিস্থিতিতে কোচবিহারের একমাত্র সরকারি জেনারেল ডিগ্রি কলেজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সীমানা প্রাচীর না থাকায় কলেজের গুরুত্বপূর্ণ নথি, পরীক্ষার খাতা এমনকি ল্যাবরেটরিগুলির নিরাপত্তা নিয়েও যথেষ্টই চিন্তায় রয়েছেন অধ্যাপকরা। যদিও বিষয়টি নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ নিলয় রায়ের আশ্বাস, ‘দুটো সীমানা প্রাচীরের বিষয়েই পূর্ত দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।’

কলেজের কেমিস্ট্রি, জুলজি, বটানি সহ বিজ্ঞান বিভাগের অধিকাংশ ল্যাবরেটরি নীচতলাতেই রয়েছে। কলেজে ঢুকতে সামনেই রয়েছে প্রশাসনিক ভবন। এদিকে ক্যাম্পাসের সামনের দিকে সীমানা প্রাচীর না থাকায় ক্লাস চলাকালীন কিংবা সন্ধ্যার পর বহিরাগতদের আনাগোনার আশঙ্কা করছেন পড়ুয়াদের একাংশ। একইভাবে হস্টেলের দেওয়াল ভাঙা থাকায় সেখানেও অপরিচিত লোকেদের আনাগোনা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কলেজের নিরাপত্তার স্বার্থে শীঘ্র দু’দিকের সীমানা প্রাচীর সংস্কারের দাবি তুলেছেন তাঁরা। কলেজের স্নাতক স্তরের অঙ্ক বিভাগের ছাত্রী ইসমাতারা নার্গিস বলেন, ‘দেওয়াল না থাকায় আমরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। এতে যখন-তখন ভাঙা অংশ দিয়ে যে কেউ কলেজে ঢুকে পড়তে পারে। এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

কিছুদিন আগেই কোচবিহার টাউন হাইস্কুলে কম্পিউটারের বেশ কিছু সামগ্রী চুরির অভিযোগ উঠেছিল। তারও মাস কয়েক আগে সুনীতি অ্যাকাডেমির ল্যাব ভেঙে চুরির ঘটনাও প্রকাশ্যে আসে। সম্প্রতি জেনকিন্স স্কুলের ল্যাবের জানালার নেট কাটবার অভিযোগ সামনে আসে। বছর দুয়েক আগে অবশ্য এবিএনশীল কলেজের হস্টেল থেকে ৪৬টি পুরোনো কাঁসার থালা এবং ১৭টি পিতলের গ্লাস চুরির অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতির পরেও কর্তৃপক্ষ কেন কলেজের সীমানা প্রাচীর দুটি মেরামত করার দিকে নজর দিচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন খোদ পড়ুয়ারাই।

কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, সবমিলিয়ে কলেজে ৩ জন নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন। রাতের বেলা ২ জন নিরাপত্তারক্ষী গোটা ক্যাম্পাসের দায়িত্বে থাকেন। কিন্তু দুজনের পক্ষে আদৌ পুরো ক্যাম্পাস পাহারা দেওয়া কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের যুক্তি, গোটা ক্যাম্পাসে তাদের সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এবিএনশীলের বটানি বিভাগের ছাত্রী প্রিয়াংশী চক্রবর্তী বলেন, ‘কলেজের ল্যাবরেটরিগুলিতে প্রচুর যন্ত্রপাতি রয়েছে। সীমানা প্রাচীরের এই পরিস্থিতিতে কলেজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *