Cooch Behar | দেরিতে হাজিরা! অভ্যেস বদলায়নি পঞ্চায়েতের কর্মীদের  

Cooch Behar | দেরিতে হাজিরা! অভ্যেস বদলায়নি পঞ্চায়েতের কর্মীদের  

ব্লগ/BLOG
Spread the love


বক্সিরহাট: আসি-যাই, মাইনে পাই। সরকারি কর্মীদের মনোভাব সম্পর্কে এই কথাটা বহুল চর্চিত। কর্মসংস্কৃতি পরিবর্তনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকারি কর্মীদের সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে কাজে যোগদানের নির্দেশিকা জারি করেছেন। কিন্তু তুফানগঞ্জ-২ ব্লকে মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের কর্মীদের অভ্যেস যেন এখনও বদলায়নি। বেশিরভাগ কর্মী সময়মতো কাজে যোগ দিচ্ছেন না। এছাড়া রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে তৃণমূল পরিচালিত ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও সদস্যদের তো দেখা মেলাই ভার। গোটা বিষয়টিতে আখেরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। পরিষেবা না পেয়ে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল, স্থানীয়দের ভিড় জমতে শুরু করেছে। কেউ জব কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্ত করতে তো আবার কেউ সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত নথি জমা দিতে এসেছেন। কিন্তু কার্যালয় তখনও খোলেনি। অবশেষে সাড়ে ১০টা নাগাদ এক গ্রুপ-ডি কর্মী কার্যালয়ের তালা খুললেন। বাকি কর্মীদের কেউ আসেননি। ততক্ষণে বাইরে অপেক্ষমান মানুষের সংখ্যা আরও বেড়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় প্রতিদিন সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার আগে অধিকাংশ কর্মী কাজে যোগ দেন না। কোনও কোনও দিন দু’একজন কর্মী দুপুর ১টার পর আসেন বলে তাঁদের দাবি। শুধু তাই নয়, দুপুর ২টো বা আড়াইটে বাজলেই কেউ কেউ অফিস ছেড়ে চলে যান বলেও অভিযোগ।

স্থানীয় তপন দাসের গলায় স্পষ্ট ক্ষোভ, ‘মাইকে প্রচার শুনে জব কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড লিংক করাতে এসেছিলাম। কাউকে দেখতে পাইনি। এক কাজের জন্য টোটোভাড়া দিয়ে বারবার যাতায়াত করা তো অসম্ভব ব্যাপার।’ যদিও গ্রাম পঞ্চায়েত সচিব সুজিত দাসের দাবি, কর্মীরা সকলে সময়মতোই কাজে যোগদান করেন। তিনি বললেন, ‘আমার স্ত্রীর অসুস্থতার কারণে আমি ছুটিতে রয়েছি। বাকি তিনজন কর্মীর বাড়ি দূরে হওয়ায় আসতে একটু দেরি হয়েছে। ভবিষ্যতে এমনটা হবে না।’

বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপির কোচবিহার জেলা সহ সভাপতি উৎপল দাস। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল জমানায় রাজ্যে কর্মসংস্কৃতি বলে কিছু ছিল না। এখনও অনেক সরকারি কর্মচারী সেই অভ্যাস বদলাতে পারেননি।’ তিনি জেলা শাসকের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন। বিষয়টি নিয়ে তুফানগঞ্জ-২’এর বিডিও অজয়কুমার দণ্ডপাতকে ফোন করা হলেও সংযোগ না মেলায় প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বীণা বর্মনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া দেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *