Cooch Behar | দারিদ্র্যকে জয় করে উচ্চ মাধ্যমিকের থার্ড সিমেস্টারে ষষ্ঠ মাথাভাঙ্গার সূর্য, আগামীতে ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার

Cooch Behar | দারিদ্র্যকে জয় করে উচ্চ মাধ্যমিকের থার্ড সিমেস্টারে ষষ্ঠ মাথাভাঙ্গার সূর্য, আগামীতে ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


নয়ারহাট: লক্ষ্য স্থির ও আত্মপ্রত্যয় বজায় থাকলে দারিদ্র্য যে সাফল্যের পথে কখনই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না তা প্রমাণ করে দেখাল সাতগ্রামের সূর্য বর্মন। মাথাভাঙ্গা হাইস্কুলের (Mathabhanga Excessive Faculty) এই কৃতি ছাত্রটি উচ্চ মাধ্যমিকের (HS Examination End result 2025) তৃতীয় সিমেস্টারে রাজ্যে সম্ভাব্য ষষ্ঠ স্থান (sixth place)  অধিকার করে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছে। বিজ্ঞান শাখার এই পড়ুয়া ৯৭ শতাংশেরও বেশি নম্বর পেয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে। ছাত্রের এমন রেজাল্টে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা-শিক্ষিকারাও ভীষন খুশি। বিদ্যালয়ের টিআইসি শ্যামল পাল, সহশিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তী ছাত্রটির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

সূর্যের বাবা দিলীপ বর্মন একটি বেসরকারি স্কুলের গাড়ির চালক, মা মাধবী বর্মন গৃহবধূ। মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকের কুর্শামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতগ্রামের বাসিন্দা সূর্য মাধ্যমিকেও নজরকাড়া ফল করেছিল। এবার উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সিমেস্টারে রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করায় এলাকায় সাড়া পড়ে গিয়েছে। একই গ্রামের বাসিন্দা তথা মাথাভাঙ্গা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজিবুল হাসান বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সিমেস্টারে সূর্য এত ভালো ফল করায় গর্ববোধ হচ্ছে। ওকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে সূর্যের আইআইটিতে পড়ার ইচ্ছা রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার হয়ে দেশ ও দশের সেবার পাশাপাশি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চায় অভাবী ঘরের এই মেধাবী ছাত্রটি।

সূর্য বলে, ‘আমার ভালো ফলের পেছনে বাবা-মা, গৃহশিক্ষক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদান রয়েছে। অবসর সময়ে ক্রিকেট খেলতে ভালো লাগে। সময় পেলে গল্পের বইও পড়ি। ৪০ নম্বর করে বাংলা, ইংরেজি ও অংকের পরীক্ষায় আমার প্রাপ্ত নম্বর ৩৮, ৪০ ও ৩৮। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি পরীক্ষা হয়েছে ৩৫ নম্বরের। তার মধ্যে আমার প্রাপ্ত নম্বর ৩৫, ৩৫ ও ৩২।’

সূর্যর বাবা দিলীপের বক্তব্য, ‘কষ্ট হলেও ছেলের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যাচ্ছি। এভাবে কতদিন খরচ চালাতে পারাবো, তা নিয়ে সংশয়ে আছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *