Cooch Behar | এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অচলাবস্থার জের,পালিত হল না প্রতিষ্ঠা দিবস

Cooch Behar | এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অচলাবস্থার জের,পালিত হল না প্রতিষ্ঠা দিবস

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


কোচবিহার: অচলাবস্থার জেরে এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল না। ২০১৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এমজেএন মেডিকেলের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন। এরপর প্রতিবছর এই দিনটি কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন হলেও এবছর ব্যতিক্রম থাকল। যা নিয়ে কর্তৃপক্ষ প্রশ্নের মুখে পড়েছে। দিনকয়েক আগে এমজেএন মেডিকেলের হস্টেল থেকে এক জুনিয়ার ডাক্তারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এরপর থেকে একটানা বেশ কয়েকদিন ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলন চলে। বর্তমানে অধ্যক্ষ এবং এমএসভিপির কেউই কোচবিহারে উপস্থিত নেই। এই ঘটনাগুলির জেরেই দিনটি পালন করা গেল না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অধ্যক্ষ নির্মলকুমার মণ্ডল বললেন, ‘সম্প্রতি মেডিকেলে নানা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার দিনটি উদযাপন করা গেল না। যা খুবই দুঃখজনক। তবে শীঘ্রই দিনটি উদযাপন করা হবে বলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এখানে একটি মেডিকেল কলেজ তৈরি করা হোক বলে কোচবিহারবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। সেই দাবি মেনে রাজ আমলের এমজেএন হাসপাতালকেই মেডিকেল কলেজে উন্নীত করা হয়। কয়েক বছর আগে থেকে সেই প্রক্রিয়া চললেও ২০১৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মেডিকেল কলেজের পথ চলা শুরু হয়। অন্যান্য বছর দিনটি পালন করা হলেও এবছর তা না হওয়ার জন্য অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক বিষয়গুলি নিয়ে মেডিকেলের অন্দরে কার্যত তোলপাড় চলছে। বহু ছাত্রছাত্রীই হস্টেল ছেড়ে বাড়িতে গিয়েছেন। আবার সরকারি কাজে অধ্যক্ষ এবং এমএসভিপিও জেলার বাইরে রয়েছেন। কিন্তু তাঁরা না থাকলেও বর্তমানে যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন তাঁরা কেন কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করলেন না? এ প্রশ্নও উঠছে। মেডিকেলের এক পড়ুয়ার কথায়, ‘আমরা এই মেডিকেল কলেজের প্রথম পড়ুয়া। তাই এই কলেজটি আমাদের আবেগের। দিনটি উদযাপন না হওয়ায় খারাপ লাগছে।’ এমবিবিএসের পড়ুয়া প্রকৃতি বর্মন বলেছেন, ‘প্রতিবছর দিনটি পালন করা হয়। এবার না হওয়ায় খারাপ তো লাগছেই। আমরা বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।’

নিয়ম অনুযায়ী কলেজ কর্তৃপক্ষেরই এই দিনটি পালন করার কথা। গত বছরও প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। জানা গিয়েছে, অধ্যক্ষের উদ্যোগে গতবছর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও শেষমুহূর্তে অনেক পড়ুয়াই অনুষ্ঠানে যাননি। পরবর্তীতে অধ্যক্ষ অভিযোগ তুলেছিলেন, থ্রেট কালচারে অভিযুক্তদের অঙ্গুলিহেলনেই সেই ঘটনা ঘটেছিল। কয়েকদিন ধরে কলেজের অন্দরে যেভাবে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের একাংশ বিক্ষোভ দেখিয়েছে, তাতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও সেখানে পড়ুয়াদের সক্রিয়তা কতটা থাকত তা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *