Cooch Behar | বাড়তি ফি নিয়ে ক্ষোভ, বিজ্ঞপ্তি সরাল স্কুল কর্তৃপক্ষ

Cooch Behar | বাড়তি ফি নিয়ে ক্ষোভ, বিজ্ঞপ্তি সরাল স্কুল কর্তৃপক্ষ

ব্লগ/BLOG
Spread the love


ফেশ্যাবাড়ি: আশপাশের স্কুলগুলিতে ৩৫০-৪০০ টাকা ভর্তির ফি নেওয়া হয়। সেখানে কোচবিহার-১ ব্লকের ময়নাগুড়ি উচ্চবিদ্যালয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে কলা বিভাগে ভর্তির জন্য লাগছে ৬০০ টাকা। এত বেশি টাকা কেন নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা। বিপাকে পড়ে তড়িঘড়ি ভর্তির ফি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সরিয়ে দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। টিআইসি ইউসুফ সরকারের সাফাই, ‘কয়েকমাস আগে দায়িত্বভার নিয়েছি। বিগত বছরের ভর্তির ফি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিভাবকরা আপত্তি তোলায় সরকার নির্ধারিত ফি নেওয়া হবে।’

কোচবিহার-১ ব্লকের ওই স্কুলটিতে প্রত্যেকবারই অন্যান্য স্কুল থেকে বেশি ফি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এবারও সেটাই হয়েছে। বুধবার স্কুলের তরফে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। সেখানে কলা বিভাগের সাধারণ পড়ুয়াদের ভর্তির জন্য ৬০০ টাকা লাগবে বলে জানানো হয়। এবং যাদের ভূগোল, কম্পিউটারের মতো প্র্যাকটিক্যাল বেসড বিষয় রয়েছে, তাদের ভর্তির ফি আরও ৫০ টাকা বেশি।

অভিভাবকরা জানালেন, আশপাশের স্কুলগুলি থেকে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। কীসের ভিত্তিতে এই অতিরিক্ত টাকা, সেটাই বুঝতে পারছেন না তাঁরা।

পার্শ্ববর্তী স্কুল কম নিলেও অনেকটা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। মোয়ামারি, ময়নাগুড়ির মতো গ্রামীণ এবং প্রান্তিক এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে স্কুলে ভর্তির জন্য এত টাকা দেওয়াটা একটু দুঃসাধ্য। অভিযোগ, বিগত কয়েক বছর ধরে বেশি ফি দিচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু এবার এর প্রতিবাদে সরব হন তাঁরা। অভিভাবক আজিজুর ইসলাম, আমিনুর রহমানরা জানান, পাশের স্কুলগুলো অনেক কম ফি নিচ্ছে। সেখানে এই স্কুল এত বেশি টাকা চাইছে। এতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে। সরকার িনর্ধারিত ফি নেওয়া হোক, চাইছেন বাকি অভিভাবকরা।

সরকারি তরফে স্কুল ভর্তির ফি ২৪০ টাকা। এর সঙ্গে ল্যাব বেসড বিষয়ের পরীক্ষা বাবদ নেওয়া হয় আরও ১০০ টাকা, নন-ল্যাব বিষয়ের ক্ষেত্রে সেটা ৯০ টাকা। এর সঙ্গে স্কুলগুলি নিজেদের খরচ অনুযায়ী এই ফি ঠিক করে। এদিকে, বিতর্কের মুখে বিজ্ঞপ্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি খাদিজা খাতুন বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর বিজ্ঞপ্তিটি স্থগিত রাখতে বলেছি। আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) সমরচন্দ্র মণ্ডল অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *